দিনাজপুর জেলার দক্ষিণ-পূর্বাংশে অবস্থিত ঘোড়াঘাট উপজেলা একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের অংশ হওয়ায় এখানকার ভূমি উর্বর এবং কৃষির জন্য উপযোগী।
মুঘল আমলে এবং তারও আগে এই অঞ্চল ছিল একটি কৌশলগত কেন্দ্র, যার স্মৃতিচিহ্ন এখনো কিছু স্থাপনায় দৃশ্যমান। নদ-নদী, খাল-বিল ও সমতল কৃষিভূমির এই উপজেলা
বর্তমানে কৃষিনির্ভর অর্থনীতির পাশাপাশি শিক্ষার প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ঘোড়াঘাট উপজেলার প্রশাসনিক কাঠামো গঠিত হয়েছে ৪টি ইউনিয়ন পরিষদ ও একটি পৌরসভার সমন্বয়ে।
ইউনিয়নগুলো স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের নাগরিক সেবা, উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি ইউনিয়নের রয়েছে স্বতন্ত্র ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, জনসংখ্যাগত বৈচিত্র্য,
কৃষিপ্রধান অর্থনীতি, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব। ধান, গম, ভুট্টা, সবজি ও ফলমূল এই এলাকার প্রধান কৃষিপণ্য। তাছাড়া ঘোড়াঘাট উপজেলা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও দিনাজপুর জেলার অন্যান্য উপজেলার তুলনায় সমৃদ্ধ।
আরও পড়ুনঃ নীলফামারী জেলার ইতিহাস | নীলফামারী কিসের জন্য বিখ্যাত
ঘোড়াঘাট উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ?
নিচে ঘোড়াঘাট উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন তুলে ধরা হলোঃ
- ১ নং বুলাকীপুর ইউনিয়ন
- ২নং পালশা ইউনিয়ন
- ৩নং সিংড়া ইউনিয়ন
- ৪নং ঘোড়াঘাট ইউনিয়ন



