রংপুর জেলার ইতিহাস | রংপুর কিসের জন্য বিখ্যাত

রংপুর কিসের জন্য বিখ্যাত তা জানার জন্য আমরা অনেকেই বিভিন্ন সময় ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে থাকি। আর খুঁজতে হবে না, আমরা এখানেই রংপুর জেলার বিখ্যাত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ এবং সঠিক তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।রংপুর জেলা

রংপুর জেলাতে রয়েছেন অসংখ্য বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব সেই সাথে রয়েছে কিছু জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। আর এই রংপুরের বিখ্যাত সবকিছুই বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম ভূমিকা পালন করছে।

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা রংপুর কিসের জন্য বিখ্যাত, তা বিস্তারিত জানতে আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পুর্ণ মনযোগ সহকারে পড়ুন।

রংপুর জেলার ইতিহাস?

রংপুর জেলা হলো বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের একটি প্রধান শহর। রংপুর হলো ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রাচীনতম একটি পৌর কর্পোরেশন। রংপুর জেলা গঠিত হয় ১৭৬৫ সালে। এছাড়া ১৭৬৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর রংপুর জেলার বিভাগীয় সদর দপ্তর হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

১৮৯০ সালে তৎকালীন পৌর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ডিমলার জমিদার বাড়ির রাজা জানকীবল্লভ সেন রংপুর শহরে জলাবদ্ধতা এবং মশার ও ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব নিরসনে তার মা শ্যামাসুন্দরীর নামে যে খালটি পুনঃখনন করেন।

তা আজকের শ্যামা সুন্দরী খাল নামে পরিচিত। তার দানকৃত বাগান বাড়ির জমিতে ১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে আজকের পৌরসভা ভবনটি গড়ে ওঠে। ইহা বর্তমানে আয়তনে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর সিটি কর্পোরেশন।

রংপুর সাতশত বছরের ঐতিহ্য শতরঞ্জি, হাড়িভাঙ্গা আম, তামাক এর জন্য বিখ্যাত। রংপুরকে বাহের দেশ বলা হয়।

রংপুর কিসের জন্য বিখ্যাত?

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ শহর ও জেলা হিসেবে আমাদের রংপুরের জুড়ি মেলা ভার। এটি বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ এবং জেলাও বটে। সেই সাথে বাংলাদেশের বৃহত্তম শহরগুলোর মধ্যে এটি একটি।

রংপুর কিসের জন্য বিখ্যাত, সেগুলের মধ্যে রয়েছে হাড়িভাঙ্গা আম, শতরঞ্জি, তামাক, এবং ঐতিহাসিক স্থান। প্রিয় বন্ধুরা কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে আসা যাকঃ

রংপুর জেলা সম্পর্কে কিছু তথ্য?

রংপুর জেলা মূলত বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি প্রাচীন জেলা। এটি রংপুর বিভাগের সদর দপ্তরও। জেলাটির মোট আয়তন ২৩০৮ বর্গ কিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ২৮ লাখের ও বেশি।

রংপুর জেলার উত্তরে দিনাজপুর জেলা, দক্ষিণে গাইবান্ধা জেলা ও পূর্বে লালমনিরহাট জেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত। জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রধান নদীগুলো হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই, কংস, তুইঙ্গী, টাঙ্গন, ইছামতি, চিকনাই ও পাগলা।

আমাদের রংপুর জেলার ইতিহাস বেশ পুরনো। ব্রিটিশ আমলে এই জেলাটি বর্ধমান জেলার অধীনে ছিল। ১৮৬৯ সালে এটি একটি পৃথক জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। রংপুর জেলার অর্থনীতি প্রধান কৃষিনির্ভর।

এখানে ধান, গম, পাট, সরিষা, আখ, ভুট্টা, আলু, ডাল ইত্যাদি ফসল উৎপাদিত হয়ে থাকে। এ জেলায় ধানকল, চিনিকল, টেক্সটাইল মিল, ইত্যাদি শিল্প কারখানা রয়েছে। রংপুর জেলার শিক্ষার হার হচ্ছে ৬৫%।

এখানে অনেকগুলো সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে। রংপুর জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে রংপুর চিড়িয়াখানা, তাজহাট জমিদারবাড়ী, ইছামতি নদী, তিস্তা নদী, পাগলা নদী, ইত্যাদি।

রংপুর জেলার কিছু বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব হলেন জ্যোতিষী জগদীশচন্দ্র বসু, শহীদ আব্দুল হামিদ, নজরুল ইসলাম, এম এ ওয়াজেদ মিয়া, সজিব ওয়াজেদ জয়, শহীদ মতিউর রহমান, ইত্যাদি। এই জেলা, কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং রাজনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

রংপুরের বিখ্যাত খাবার?

রংপুর জেলার খাবারগুলো তার অনন্য স্বাদের জন্য বেশ পরিচিত। এই জেলার কিছু বিখ্যাত খাবার এক পলকে দেখে নেওয়া যাকঃ

হাড়িভাঙ্গা আম

রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম মূলত তার মিষ্টি স্বাদের জন্য বাংলাদেশ বিখ্যাত। হাড়িভাঙ্গা আম সাধারণত জুলাই থেকে আগস্ট মাস পযন্ত পাওয়া যায়।

শোলকা

এটি একটি শাকসবজির পদ যা পাটশাক, পুঁইশাক, কুমড়াশাক, সজনে পাতা ইত্যাদি দিয়ে তৈরি করা হয়। এর প্রধান উপাদান হচ্ছে পাটশাক।

পাটশাক কিছুটা তিতো স্বাদের হয় বলে এর তিতাভাব কাটানোর জন্য আরও অন্যান্য শাকসবজি ব্যবহার করা হয়। শোলকা সাধারণত লবণ, মরিচ, রসুন এবং খাবার সোডা দিয়ে রান্না করা হয়ে থাকে।

প্যালকা

শোলকার মত এটিও একটি শাকসবজির পদ যা নাপাশাক, সজনে পাতা, পুঁইশাক, কচু পাতা, কুমড়াশাক ইত্যাদি দিয়ে তৈরি করা হয়। এর প্রধান উপাদান হচ্ছে নাপাশাক। প্যালকাও শোলকার মতো লবণ, মরিচ, রসুন এবং খাবার সোডা দিয়ে রান্না করা হয়ে থাকে।

সিঁদল

এটি হল একটি শুটকি মাছের বড়া জাতীয় খাবার। খেয়েছেন কখনো? সিঁদল শুটকি মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, জিরা, ধনে, হলুদ, মরিচ, গরম মশলা ইত্যাদি দিয়ে তৈরি করা হয়। সিঁদল সাধারণত ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়ে থাকে।

রংপুরের দই

রংপুরের দই তার অনন্য স্বাদের জন্য বেশ প্রসিদ্ধ। এই দই সাধারণত ছানা দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। এর সাথে চিনি, লবণ, দুধ, ঘি ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

এছাড়াও রংপুরের অন্যান্য কিছু বিখ্যাত খাবার হচ্ছে আলু চপ, চিকেন কারি, মটরশুঁটির ডাল, গরুর মাংসের ভুনা, মুগ ডাল, সন্দেশ, মিষ্টি দই। রংপুরের খাবারগুলো শুধুমাত্র সুস্বাদুই নয়, স্বাস্থ্যকরও। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে।

রংপুরের বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ?

রংপুরের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব রয়েছেন তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। চলুন রংপুরের কিছু বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের মধ্যে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্পর্কে কিছু জেনে আসা যাক।

জ্যোতিষী জগদীশচন্দ্র বসু

জগদীশচন্দ্র বসু তিনি মূলত ছিলেন একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং প্রত্নতাত্ত্বিক। তিনি বসু নিলকের আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।

জগদীশচন্দ্র বসু তিনি একজন সমাজসেবকও ছিলেন। তিনি নারী শিক্ষার প্রসার এবং ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মাদ সায়েম

বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ছিলেন আমাদের বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি এবং ৬ষ্ঠ রাষ্ট্রপতি। তিনি ছিলেন একজন দক্ষ আইনবিদ ও সমাজসেবক।

তিনি বাংলাদেশের সংবিধানের একজন রচয়িতাদের ছিলেন। বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মাদ সায়েম বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার উন্নয়নে অনেক বড় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

বেগম রোকেয়া

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন তিনি ছিলেন একজন বাঙালি চিন্তাবিদ, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক এবং সমাজ সংস্কারক। তিনি বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং প্রথম বাঙালি নারীবাদী মহিলাও ছিলেন।

হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ

হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান ও রাজনীতিবিদ তিনি ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দেশ পরিচালনাকে সে সময়ে অনেকেই সামরিক একনায়তন্ত্রের সাথে তুলনা করেন। আপনি নিশ্চয় জাতীয় পার্টির নাম শুনেছেন? এই রাজনৈতিক দলটি মূলত প্রতিষ্ঠা করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।

সজীব ওয়াজেদ জয়

বাংলাদেশী আইসিটি পরামর্শক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং বাংলাদেশের জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র। তিনি বাংলাদেশের জন্য আইসিটি নিয়ে অনেক কাজ করেন।

এম এ ওয়াজেদ মিয়া

এম এ ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন একজন বাংলাদেশী পরমাণু বিজ্ঞানী ও পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী।

তিনি পদার্থবিজ্ঞান ও বহুল পঠিত বিভিন্ন রাজনৈতিক লেখক। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ভূমিকা ছিল একদম অতুলনীয়।

নাসির হোসেন

মোহাম্মদ নাসির হোসেন হচ্ছেন একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। তিনি একজন অলরাউন্ডার, যিনি ব্যাটিংয়ে ডানহাতি এবং বোলিংয়ে ডানহাতি অফ-স্পিন ব্যাটার এবং অফ-স্পিন বোলারও।

নাসির হোসেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন। নাসির হোসেন একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

রংপুর দর্শনীয় স্থান

রংপুর জেলার শত শত দর্শনীয় স্থান হাজারো দর্শকের মন জয় করে নিয়েছে। রংপুরে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে যা পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে তুলে। রংপুরের কিছু দর্শনীয় স্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ

কারমাইকেল কলেজ

কারমাইকেল কলেজ বাংলাদেশের রংপুর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯১৬ সালে এই কলেজটি রংপুরের ম্যাজিস্ট্রেট কালেক্টর জে.এন. গুপ্তা প্রতিষ্ঠা করেন।

এবং লর্ড ব্যারন কারমাইকেলের নামানুসারে কলেজটির নামকরণ করা হয়েছে। সৃষ্টির লগ্ন থেকেই মূলত বৃহত্তর রংপুরের শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে ব্যাপক অবদান রেখে আসছে।

ভিন্নজগত রংপুর

রংপুর ভিন্নজগত বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার খলেয়া গুঞ্জিপুর এলাকায় অবস্থিত। এটি একটি বিনোদন কেন্দ্র। এটি একটি থিম পার্ক, যেখানে রয়েছে নানান ধরণের রাইড, গেম, এবং আকর্ষণ।

তাজহাট জমিদার বাড়ি

তাজহাট জমিদার বাড়ি বাংলাদেশের রংপুর জেলার পুরাণ রংপুর তথা তাজহাটে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ যা এখন একটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

রংপুরের পর্যটকদের কাছে এটি হচ্ছে একটি আকর্ষণীয় স্থান। রংপুরের রাজবাড়ি শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

রংপুর চিড়িয়াখানা

রংপুর চিড়িয়াখানা বাংলাদেশের রংপুর জেলার হনুমানতলা এলাকায় অবস্থিত একটি চিড়িয়াখানা। এটি আমাদের বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বড় চিড়িয়াখানা।

চিড়িয়াখানাটি ২১.৫১ একর (৮.৭০ হেক্টর) এলাকা জুড়ে রয়েছে। এতে সবুজ গাছ ও ঘাসের সমারোহ আছে। রংপুরের দর্শনীয় স্থানগুলো শুধুমাত্র পর্যটকদের আকর্ষণ করে না, এগুলো বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

রংপুর এর বিখ্যাত তামাক?

রংপুর বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত তামাক উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসাবে পরিচিত। রংপুরের তামাক তার মিষ্টি স্বাদ এবং উচ্চমানের জন্য পরিচিত। রংপুরের কিছু বিখ্যাত তামাকের মধ্যে রয়েছে যেমনঃ

আফতাব তামাক

আফতাব তামাক হচ্ছে রংপুরের আরেকটি বিখ্যাত তামাক। এটি তার দীর্ঘস্থায়ী স্বাদের জন্য পরিচিত। আফতাব তামাকও বিড়ি, সিগারেট, এবং অন্যান্য তামাক পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

রংপুরী তামাক

রংপুরী তামাক হচ্ছে রংপুরের সবচেয়ে বিখ্যাত তামাক। এটি তার মিষ্টি স্বাদের জন্য বেশ পরিচিত। রংপুরী তামাক সাধারণত বিড়ি, সিগারেট, এবং অন্যান্য তামাক পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

জগদীশচন্দ্র তামাক

জগদীশচন্দ্র তামাক হল রংপুরের আরেকটি বিখ্যাত তামাক। এটি তার উচ্চমানের জন্য বেশ পরিচিত। জগদীশচন্দ্র তামাক সাধারণত বিড়ি, সিগারেট, এবং অন্যান্য তামাক পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

রংপুরের তামাক চাষ রংপুরের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। রংপুরের তামাক চাষ থেকে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

রংপুর কে কিসের শহর বলা হয়?

রংপুরকে হাড়িভাঙ্গা আম, তামাক, এবং শতরঞ্জির শহর বলা হয়ে থাকে। রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম সারা বাংলাদেশে বিখ্যাত। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে সুস্বাদু এবং রসালো আম বিবেচিত।

রংপুরের তামাক খুবই উচ্চমানের এবং এটি সারা বিশ্বে রপ্তানি করা হয়। রংপুরের শতরঞ্জিগুলো খুবই সুন্দর এবং ঐতিহ্যপুর্ন। এছাড়াও বংপুরকে বাহের দেশ বলা হয়ে থাকে।

রংপুরের অবস্থান কোথায়?

রংপুর আমাদের বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। এটি রংপুর বিভাগের সদর দপ্তর। রংপুরের অবস্থান রংপুর

স্থানাঙ্ক

২৫.৫৬° উত্তর ৮৯.২৫° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

রংপুর জেলার আয়তন কত?

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রাচীনতম জেলা হল রংপুর। রংপুর জেলার মোট আয়তন ২৩০৮ বর্গকিলোমিটার।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, দীর্ঘ সময় নিয়ে রংপুর কিসের জন্য বিখ্যাত এই আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। রংপুর এর বিখ্যাত ও অপরুপ সবকিছু নিশ্চয় আপনার মনের মাঝে দোলা দিয়েছে।

আপনি যদি রংপুরে কখনও আসেন অবশ্যই বিখ্যাত সবকিছু দেখার চেষ্টা করবেন। রংপুর কিসের জন্য বিখ্যাত আর্টিকেলটি আপনার কেমন লাগলো জানাতে ভূলবেন না প্লিজ।

আর্টিকেলটি যদি আপনার কাছে তথ্য বহুল মনে হয় তবে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে জানার সুযোগ করে দিন। ভাল থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

Share Now

This website is mainly created to provide information about travel, travel packages, travel agencies, travel visas, travel Bangladesh, and your travel to Bangladesh. We will always try to give you accurate information.

Leave a Comment