পত্নীতলা উপজেলা বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার একটি ঐতিহাসিক, কৃষিনির্ভর এবং সীমান্তবর্তী উপজেলা। এটি জেলার উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের
সঙ্গে সীমানা ভাগ করে নেওয়ায় কৌশলগত দিক থেকেও এটির গুরুত্ব অনেক। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, খাল-বিল, উর্বর কৃষিজমি এবং বৈচিত্র্যময় গ্রামীণ জীবনধারা পত্নীতলাকে করেছে এক সমৃদ্ধ জনপদ।
পত্নীতলা উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদসমূহের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এ উপজেলায় রয়েছে ১১টি ইউনিয়ন। প্রতিটি ইউনিয়ন স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কৃষি উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য,
অবকাঠামো ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ইউনিয়নগুলো মূলত কৃষিপ্রধান, যেখানে ধান, গম, ভুট্টা, পাট, আখ ও নানা প্রকার ফলমূল উৎপাদিত হয়।
এই উপজেলার নজিপুর বাজার একটি বিখ্যাত ব্যবসায়িক কেন্দ্র, যেখান থেকে আশপাশের ইউনিয়নবাসীরা কৃষিপণ্য কেনাবেচা করে থাকেন। এছাড়াও, ভারত সীমান্তসংলগ্ন ইউনিয়নসমূহে সীমান্ত নিরাপত্তা
ও ছোট পরিসরের সীমান্ত বাণিজ্যেরও প্রভাব রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে রয়েছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মন্দির, হাটবাজার, কমিউনিটি ক্লিনিক
এবং অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম। ইউনিয়ন পরিষদসমূহ জনগণের অংশগ্রহণে স্থানীয় উন্নয়ন ও সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।
সামগ্রিকভাবে, পত্নীতলা উপজেলার ইউনিয়নসমূহ একদিকে যেমন কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে এগিয়ে নিচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও সামাজিক স্থিতিশীলতার উন্নয়নেও ভূমিকা রেখে চলেছে।
আরও পড়ুনঃ কুমিল্লা জেলার ইতিহাস | কুমিল্লা কিসের জন্য বিখ্যাত
পত্নীতলা উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ?
নিচে পত্নীতলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন তুলে ধরা হলোঃ
- দিবর ইউনিয়ন
- আকবরপুর ইউনিয়ন
- মাটিন্দর ইউনিয়ন
- কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন
- পাটিচরা ইউনিয়ন
- নজিপুর ইউনিয়ন
- ঘোষনগর ইউনিয়ন
- আমাইড় ইউনিয়ন
- শিহাড়া ইউনিয়ন।
- পত্নীতলা ইউনিয়ন
- নির্মইল ইউনিয়ন



