পরশুরাম উপজেলা বাংলাদেশের ফেনী জেলার একটি সীমান্তবর্তী এবং ছোট আয়তনের প্রশাসনিক এলাকা। এটি জেলার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে সরাসরি সীমান্ত যুক্ত।
ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এটি কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি উপজেলা হিসেবে বিবেচিত। এ উপজেলার জনজীবন মূলত কৃষি, সীমান্ত বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরশীল।
পরশুরাম উপজেলা আয়তনে ছোট হলেও প্রশাসনিক কাঠামোতে সুসংগঠিত। এ উপজেলায় রয়েছে একটি পৌরসভা ও মোট ৩টি ইউনিয়ন। প্রতিটি ইউনিয়ন নিজস্ব ভৌগোলিক সীমানা, ঐতিহ্য,
অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং সামাজিক কাঠামো নিয়ে গঠিত। ইউনিয়নসমূহ স্থানীয় প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এই ইউনিয়নগুলোতে রয়েছে একাধিক গ্রাম,
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ধর্মীয় উপাসনালয়, হাটবাজার, খাল-বিল ও কৃষিজমি। প্রতিটি ইউনিয়ন একটি করে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং স্থানীয় জনগণের নাগরিক সেবা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এদের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
পরশুরাম উপজেলার ইউনিয়নসমূহ সীমান্তবর্তী জনপদ হিসেবে বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন, যেখানে জনজীবনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সীমান্ত সংস্কৃতি, সীমান্ত চেকপোস্টের প্রভাব, কৃষিভিত্তিক জীবনযাপন ও ধীরে ধীরে বেড়ে চলা ব্যবসায়িক কার্যক্রম।
আরও পড়ুনঃ ফেনী জেলার ইতিহাস | ফেনী কিসের জন্য বিখ্যাত
পরশুরাম উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ?
নিচে দাগনভূঞা উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন তুলে ধরা হলোঃ
- ১নং মির্জানগর
- ৩নং চিথলিয়া
- ৪নং বক্সমাহমুদ



