মহেশখালী উপজেলা বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ উপজেলা, যা কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। এটি বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক, প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।
মহেশখালী তার লবণ চাষ, মৎস্য আহরণ, বাতিঘর, প্যারাবন এবং ঐতিহ্যবাহী আদিনাথ মন্দিরের জন্য বিখ্যাত। এই উপজেলার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এখানে পাহাড়, বন ও সমুদ্রতীর একসাথে মিলিত হয়েছে, যা একে দেশের অন্যান্য উপজেলার চেয়ে আলাদা করেছে।
প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও স্থানীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য মহেশখালী উপজেলাকে ৮টি ইউনিয়নে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নই নিজ নিজ এলাকার প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই ইউনিয়নগুলো মহেশখালীর কৃষি, লবণ শিল্প, মৎস্য আহরণ, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ (বিশেষ করে মাতারবাড়ি), শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
মহেশখালী এখন একটি জাতীয় অর্থনৈতিক হাব হিসেবেও পরিচিত হতে যাচ্ছে, বিশেষ করে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কারণে।
প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ তার নিজস্ব চেয়ারম্যান ও পরিষদ সদস্যদের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
আরও পড়ুনঃ বগুড়া জেলার ইতিহাস | বগুড়া কিসের জন্য বিখ্যাত
মহেশখালী উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ?
নিচে মহেশখালী উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন তুলে ধরা হলোঃ
- বড় মহেশখালী ইউনিয়ন
- মাতারবাড়ী ইউনিয়ন
- শাপলাপুর ইউনিয়ন
- হোয়ানক ইউনিয়ন
- কালারমারছড়া ইউনিয়ন
- কুতুবজোম ইউনিয়ন
- ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন
- ধলঘাটা ইউনিয়ন



