দিরাই উপজেলা বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ হাওরাঞ্চল। প্রাকৃতিক জলাভূমি, বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত, নদী-নালা এবং লোকসংস্কৃতির অপূর্ব সমন্বয় এ উপজেলাকে করেছে অনন্য।
এটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের “নকশী কাঁথার মাঠ” ও বাউল সাধক শাহ আব্দুল করিমের স্মৃতিধন্য স্থান। দিরাইয়ের অর্থনীতি প্রধানত কৃষি ও হাওরভিত্তিক মাছ আহরণ এবং প্রবাসী আয়ের উপর নির্ভরশীল।
দিরাই উপজেলার প্রশাসনিক কাঠামো গঠিত হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মাধ্যমে, যেগুলো স্থানীয় উন্নয়ন ও সেবার মূল চালিকা শক্তি। বর্তমানে দিরাই উপজেলায় রয়েছে মোট ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং একটি পৌরসভা।
প্রতিটি ইউনিয়নই নিজস্ব ভূপ্রকৃতি, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে গঠিত। বর্ষাকালে নৌকা যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠে, আর শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
এখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, ধর্মীয় স্থান ও সাংস্কৃতিক মঞ্চ ইউনিয়নভিত্তিক জনজীবনের প্রধান অংশ। ইউনিয়ন পরিষদগুলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুনঃ দিনাজপুর জেলার ইতিহাস | দিনাজপুর কিসের জন্য বিখ্যাত
দিরাই উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ?
নিচে দিরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন তুলে ধরা হলোঃ
- করিমপুর ইউনিয়ন, দিরাই
- কুলঞ্জ ইউনিয়ন
- চরনারচর ইউনিয়ন
- ভাটিপাড়া ইউনিয়ন
- রফিনগর ইউনিয়ন
- রাজানগর ইউনিয়ন, দিরাই
- জগদল ইউনিয়ন, দিরাই
- তাড়ল ইউনিয়ন
- দিরাই সরমঙ্গল ইউনিয়ন



