চট্টগ্রাম জেলার ইতিহাস | চট্টগ্রাম কিসের জন্য বিখ্যাত

চট্টগ্রাম কিসের জন্য বিখ্যাত তা বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আপনার জানা অত্যন্ত জরুরী। আপনি যদি চট্টগ্রাম জেলার বিখ্যাত হওয়ার কারণ গুলো জেনে না থাকেন।চট্টগ্রাম জেলাতবে দুশ্চিন্তা না করে এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পডুন। কেননা এই আর্টিকেলে আমরা চট্টগ্রাম জেলা সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, বিখ্যাত খাবার ও দর্শনীয় স্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

চট্টগ্রাম জেলার ইতিহাস?

বাংলাদেশের ঠিক দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে চট্টগ্রামের অবস্থান। ইহা একটি বাংলাদেশের বৃহত্তম শহর ও বন্দর। চট্টগ্রাম তার নিজ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, খাবার, পর্যটন কেন্দ্র, পাহাড় পর্বতের জন্য বিখ্যাত।

চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের ২য় রাজধানীও বলে অনেকে অভিহিত করে থাকেন। চট্টগ্রাম জেলার নামকরণ নিয়েও বেশ কিছু মতবাদ আছে। যেমনঃ প্রথম একটি মতবাদ অনুযায়ী চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় চাটি অর্থ বাতি বা চেরাগ এবং গাঁও অর্থ গ্রাম।

এ থেকে নামকরণ করা হয় চাটিগাঁও। আবার আরএক মতবাদ অনুযায়ী ত্রয়োদশ শতকে এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করতে ১২ জন আউলিয়া এসেছিলেন। তাঁরা একটি বড়সরো বাতি বা চেরাগ জ্বালিয়ে উঁচু জায়গায় স্থাপন করেছিলেন।

এ থেকে নাম হয় চাটিগাঁও। এদিকে আবার এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা স্যার উইলিয়াম জোন্সের মতে চট্টগ্রাম এলাকার একটি ক্ষুদ্র পাখির নাম থেকে চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি। চট্টগ্রামের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

চট্টগ্রামের জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত?

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রধান শিল্প কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি। চট্টগ্রামের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, তাৎপর্যপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান ও বিশেষ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে থাকে।

খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দীতে এই অঞ্চলটি মৌর্য সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। পরবর্তীতে এই অঞ্চলটি সেন, বর্মা ও পাল সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে আসে।

১৭৬৫ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আমাদের চট্টগ্রাম দখল করে নেয়। এরপর ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর চট্টগ্রাম পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হয়।

১৯৭১ সালে আমাদের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম ছিল মুক্তিযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেই সাথে চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রও বটে। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বাহিরের রাষ্ট্রে বেশির ভাগ পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ?

পৃথিবীর প্রায় সকল মানুষেই ভ্রমণ পিপাসু হয়ে থাকে। সেই ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের জন্য আমাদের দেশেও শত শত দর্শনীয় আর নয়নাভিরাম স্থান রয়েছে।

দেশের চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থানগুলো পর্যটকদের আকৃষ্ট করে থাকে। নিম্নে এ জেলার কিছু দর্শনীয় স্থান উল্লেখ করা হলঃ

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা

বাংলাদেশে যত গুলো চিড়িয়াখানা রয়েছে এর মধ্যে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা সবচেয়ে বৃহত্তম চিড়িয়াখানা। এটি চট্টগ্রাম শহরের একদম প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।

ফয়’স লেক

ফয়’স লেক হচ্ছে চট্টগ্রামের একটি অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এটি মূলত একটি কৃত্রিম লেক যা চট্টগ্রাম শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। লেকটি শহরের মাঝামাঝি স্থান হওয়ায় রাতের বেলা এর সৌন্দর্য দুগুণ হয়ে যায়। এছাড়াও লেকের চারপাশে সুন্দর উদ্যান ও পার্ক রয়েছে।

সন্দ্বীপ দ্বীপ

সন্দ্বীপ দ্বীপ চট্টগ্রাম জেলার অনেক চমৎকার একটি দ্বীপ। এটি চট্টগ্রাম শহর হতে প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দ্বীপটি তার প্রাকৃতিক অপরুপ সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত।

বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার

বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার চট্টগ্রামের একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। মাজারটি চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। বায়েজিদ বোস্তামী ছিলেন একজন সুফি সাধক।

কালুরঘাট ব্রিজ

চট্রগ্রাম শরের হতে দক্ষিণ বহদ্দারহাট থেকে আনুমানিক সাত কিলোমিটার দূরে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি রেল ব্রিজ হচ্ছে এই কালুরঘাট ব্রিজ।

এটিও আমাদের চট্টগ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান। প্রতিবছর এই ব্রিজটি দেখতে অনেক দর্শনার্থী আসে এর অপুর্ব দৃশ্য দেখার জন্য।

জাতি-তাত্ত্বিক জাদুঘর

আমাদের দেশে প্রায় অনেকগুলো জাদুঘর রয়েছে এরমধ্যে চট্টগ্রামের জাতি-তাত্ত্বিক একটি ঐতিহাসিক জাদুঘর। এটি আমাদের চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।

এই জাদুঘরটিতে দেশের বিভিন্ন প্রাচীন ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে বিভিন্ন প্রদর্শনী রয়েছে। যা দর্শনার্থীদের পূর্বের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে বিস্তার ধারণা দেয়।

আন্দরকিল্লা জামে মসজিদ

আন্দরকিল্লা জামে মসজিদ চট্টগ্রামের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। এটি দুই তলা বিশিষ্ট অত্যন্ত সুন্দর একটি মসজিদ। এটি চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। মসজিদটি ১৬শ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল বলে যানা যায়।

চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বানিজ্যিক বন্দর। চট্রগ্রামের এই বন্দরটি দেশের অর্থনৈতিক বানিজ্যের জন্য অন্তত গুরুত্বপূর্ণ।

বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো-পার্ক

চট্টগ্রামের একটি প্রাকৃতিক দর্শনীয় পর্যটন স্থান হচ্ছে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো-পার্ক। এটি আমাদের চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। এই গার্ডেনে বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিদ ও প্রাণী রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এটি চট্টগ্রামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি আমাদের চট্টগ্রাম শহরের এবং এর আশাপাশের অনেক শিক্ষার্থীরা এখানে পড়া লেখা করে।

শুধু চট্টগ্রাম এর শিক্ষার্থীরাই নয় সারাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও এখানে পড়ালেখা করার জন্য আসে। এটি চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

বাংদেশের যতগুলো সমগ্র সৈকত রয়েছে তার মধ্যে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত অন্যতম। চট্টগ্রাম থেকে এই সৈকতে বিচরণ করা অনেকটাই সহজ।

কারণ চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে এই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত অবস্থিত। এজন্য মনে হয় সৈকতটি দর্শনার্থীদের কাছে এত জনপ্রিয়।

খৈয়াছড়া ঝর্না

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝর্নাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে খৈয়াছড়া ঝর্ণা। এই ঝর্নাটি নয়টি ধাপ ও নান্দনিক প্রকৃতিক সৌন্দর্য দেখে দর্শনার্থীরা প্রতিনিয়তই মুগ্ধ হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলার বিখ্যাত খাবার?

চট্টগ্রাম জেলার বৈচিত্র্যময় খাবার এবং সামুদ্রিক মাছের বিভিন্ন আইটেম। এ জেলাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সারাদেশ জুড়ে এজেলার খবারের সুখ্যাতি রয়েছে।

এজেলার খাবার এতটাই সুস্বাদু যে, কেউ যদি এই জেলার খাবার একবার খায়। তাহলে সে সারাজীবন মনে রাখবে কতটা সুস্বাদু হয় চট্টগ্রাম এর খাবার। আমরা নিচে কিছু চট্টগ্রামের জনপ্রিয় খাবারের তালিকা উল্লেখ করলাম। যেমনঃ

ম্যারা পিঠা

চট্টগ্রামের একটি জনপ্রিয় পিঠা হচ্ছে ম্যারা পিঠা। এটি চালের গুঁড়া, নারকেল, ও চিনি দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে।

ম্যারা পিঠা সাধারণত ঈদ, পূজা, ও অন্যান্য উৎসবের সময় পরিবেশন করা হয়ে থাকে। আপনি যদি কখনো চট্টগ্রামে যান তবে অবশ্যই এই খাবারগুলোর স্বাদ নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

কাঁচা ইলিশ

চট্টগ্রামের কাঁচা ইলিশ তার অনন্য স্বাদের জন্য বিখ্যাত। এই ইলিশ শুধু দেশ না দেশের বাহিরও রপ্তানি করা হয়। বিশেষ করে ভারতের নাগরিকরাও আমাদের দেশের এই ইলিশ খেয়ে থাকে।

চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে প্রতিবছর অনেক তাজা ইলিশ ধরা হয়। এবং অনেকে এই কাঁচা ইলিশ খেয়ে থাকে।

শুঁটকি

শুঁটকি চট্টগ্রামের একটি জনপ্রিয় খাবার। চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে শুঁটকির উৎপাদন ব্যাপক। চট্টগ্রামে বিভিন্ন ধরণের শুঁটকি পাওয়া যায়। যেগুলো চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানীয় বাজারে আপনারা সহজে পেয়ে যাবেন।

এই শুঁটকি শুধু চট্টগ্রাম নয় সারাদেশের মানুষ পছন্দ করে থাকে। এগুলো খেতে অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে বলে এর চাহিদা ব্যাপক।

মেজবান

মেজবান চট্টগ্রামের একটি জনপ্রিয় খাবার। এটি একটি মাংসের তরকারি যা বিভিন্ন ধরনের মশলা দিয়ে রান্না করা হয়। মেজবানের জন্য সাধারণত মাটন, গরু বা খাসির মাংস ব্যবহার করা হয়।

নারকেল নাড়ু

চট্টগ্রামের একটি জনপ্রিয় মিষ্টি হচ্ছে নারকেল নাড়ু। এটি মূলত নারকেলের দুধ, চিনি, ও ময়দা দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে।

নারকেল নাড়ু সাধারণত ঈদ, পূজা, ও অন্যান্য উৎসবের সময় পরিবেশন করা হয়। তবে আপনারা চট্টগ্রামে গেলে যেকোন সময় এই নারকেল নাড়ু পেয়ে যাবেন।

চট্টগ্রাম জেলার বিখ্যাত ব্যক্তি?

দেশের বাণিজ্যিক নগরী চট্রগ্রামে রয়েছেন অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি। যারা দেশ এবং দেশের বাহি থেকেও সুনাম অর্জন করে এনেছে।

আমি নিম্নে বেশ কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছি যেগুলো আপনার জ্ঞানকে প্রসারিত করতে সাহায্য করবে। যেমনঃ

ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমাদের দেশের একজন গর্বিত ব্যক্তি। তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত। এছাড়াও তিনি বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আবদুল বারী চৌধুরী

আবদুল বারী চৌধুরী ছিলেন চট্টগ্রামের একজন ব্যবসায়ী ও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সদস্য। আবদুল বারী চৌধুরী চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ১৮৭০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আবু সালেহ চৌধুরী ছিলেন চট্টগ্রামের একজন জমিদার।

বদর আউলিয়া

বদর আউলিয়া তিনি মূলত একজন দরবেশ ছিলেন। তিনি ১৪শ শতকে চট্টগ্রামে ইসলাম প্রচার করেন। তিনি বাকি এগারোজন দরবেশের সঙ্গে চট্টগ্রাম এসেছিলেন বলে কথিত রয়েছে।

অনেক তথ্য মতে জানা যায় ১২ জন দরবেশগণেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে সমাহিত আছেন।

মোহাম্মদ ফজলুল করীম

চট্রগ্রাম জেলার একজন বিখ্যাত ব্যক্তি হচ্ছেন মোহাম্মদ ফজলুল করীম। তিনি দেশের নামকরা শিল্পপতি, ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা এবং প্রাক্তন রাজনীতিবিদ।

মোহাম্মদ ফজলুল করীম তিনি পোশাক খাতের উদ্যোগ আজিম গ্রুপের চেয়ারম্যান। এছাড়াও তিনি সাবেক সংসদ সদস্য।

চট্রগ্রাম জেলার আয়তন কত?

চট্রগ্রাম জেলার মোট আয়তন হচ্ছে ৫,২৮২.৯২ বর্গ কিলোমিটার। এবং মোট জনসংখ্যা হচ্ছে ১,৭৫,৫৭,৪৪০ জন।

চট্রগ্রাম জেলার উপজেলা কয়টি?

চট্রগ্রাম জেলায় মোট উপজেলা রয়েছে ১৫টি। যেমনঃ

  • বোয়ালখালী
  • আনোয়ারা
  • বাঁশখালী
  • মীরসরাই
  • চন্দনাইশ
  • ফটিকছড়ি
  • হাটহাজারী
  • লোহাগড়া
  • কর্ণফুলী
  • পটিয়া
  • রাঙ্গুনিয়া
  • সাতকানিয়া
  • রাউজান
  • সন্দ্বীপ
  • সীতাকুন্ড

শেষ কথা

বাংলাদেশ সৌন্দর্যের এক অপরূপ উদাহরণ। এখানে ৬৪ জেলার মধ্যে সৌন্দর্যের দিক থেকে কোন জেলা এগিয়ে আবার কোন জেলা তুলনামূলক কম জনপ্রিয় রয়েছে।

এসব কিন্তু নির্ভর করে ব্যক্তি মনের চাহিদা এবং সেই জেলার সার্বিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে। এছাড়াও আপনার জ্ঞানকে প্রসারিত করতে নওগাঁ কিসের জন্য বিখ্যাত এ সম্পর্কে পড়তে পারেন।

চট্রগ্রাম জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত তা হয়তো এতক্ষণে স্পষ্টরূপে বুঝে গেছেন। আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে দয়া করে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। সকলের সুস্বাস্থ্য কামণা করে আজকের মত এখানে বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহ্ হাফেজ

Share Now

This website is mainly created to provide information about travel, travel packages, travel agencies, travel visas, travel Bangladesh, and your travel to Bangladesh. We will always try to give you accurate information.

Leave a Comment