রাঙ্গাবালী উপজেলা পটুয়াখালী জেলার সর্বদক্ষিণে অবস্থিত একটি নবগঠিত ও ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপভিত্তিক উপজেলা। এটি ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা অবস্থানে বঙ্গোপসাগর ও তেঁতুলিয়া নদীর মোহনায় বিস্তৃত।
পুরো উপজেলা নদী ও সাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত হওয়ায় এটি জলবায়ু পরিবর্তন, নদীভাঙন ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। রাঙ্গাবালীর জনগণ প্রধানত কৃষি, মৎস্য শিকার, মাছ চাষ এবং সামুদ্রিক অর্থনীতির উপর নির্ভরশীল।
এখানকার মানুষ সহজ-সরল, ধর্মপ্রাণ ও সংগ্রামী। যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো সম্পূর্ণ নৌকেন্দ্রিক, তবে কিছু এলাকায় সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। রাঙ্গাবালী উপজেলায় মোট রয়েছে ৬টি ইউনিয়ন।
প্রতিটি ইউনিয়নই মূলত দ্বীপ বা চরের অংশ এবং বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এগুলোর জীবনযাত্রা, চ্যালেঞ্জ ও সংস্কৃতিতেও বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
এই ইউনিয়নগুলোতে ইলিশ ও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ ধরা এখানকার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। পাশাপাশি কৃষিকাজ, খাল-বিলের মাছ চাষ, এবং নারীদের হস্তশিল্পও উল্লেখযোগ্য।
চরমোন্তাজ ইউনিয়ন বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিত এবং এখানে জনসংখ্যার ঘনত্বও তুলনামূলকভাবে বেশি। ঘূর্ণিঝড়ের সময় আশ্রয় কেন্দ্র, নদীভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণ, ও নৌ-যোগাযোগের উন্নয়ন এ উপজেলার প্রধান চাহিদার মধ্যে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ মির্জাগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ
রাঙ্গাবালী উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ?
নিচে রাঙ্গাবালী উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন তুলে ধরা হলোঃ
- ১নং রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন
- ২নং বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন
- ৩নং ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন
- ৪নং চরমোন্তাজ ইউনিয়ন
- ৫নং চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন
- ৬নং মৌডুবী ইউনিয়ন



