মেহেরপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী জেলা, যা খুলনা বিভাগের অন্তর্গত। ভৌগোলিক অবস্থা, ঐতিহাসিক গুরুত্ব, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
এবং প্রশাসনিক কাঠামোর দিক থেকে এটি দেশের একটি উল্লেখযোগ্য জেলা। বিশেষত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন ও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অনুষ্ঠিত হওয়ায় জেলা হিসেবে এর ঐতিহাসিক মর্যাদা আরও উজ্জ্বল।
জেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, দক্ষিণ ও পশ্চিমে চুয়াডাঙ্গা জেলা এবং পূর্বে কুষ্টিয়া জেলা অবস্থিত। ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কাজলা ও মধুমতি নদী অববাহিকাবেষ্টিত মেহেরপুরের ভূপ্রকৃতি, কৃষিনির্ভর অর্থনীতি
এবং সীমান্তঘেঁষা সামাজিক কাঠামো জেলার উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও রাজনীতিকে গতিশীল রেখেছে। বর্তমানে প্রশাসনিকভাবে মেহেরপুর জেলা ৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিতঃ
- মেহেরপুর সদর উপজেলা
- গাংনী উপজেলা
- মুজিবনগর উপজেলা
এই ৩টি উপজেলা মিলিয়ে পুরো মেহেরপুর জেলাকে ২টি সংসদীয় আসনে বিভক্ত করা হয়েছে, যেগুলো হলোঃ
- মেহেরপুর সদর উপজেলা ও মুজিবনগর উপজেলা নিয়ে মেহেরপুর-১ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- গাংনী উপজেলা নিয়ে মেহেরপুর-২ আসনটি গঠিত হয়েছে।
প্রতিটি আসন থেকে একজন করে জনপ্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন। জেলার এই ২টি আসন স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা, কৃষি ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুনঃ সুনামগঞ্জ জেলার সংসদীয় আসন কয়টি
মেহেরপুর জেলার সংসদীয় আসন কয়টি?
নিচে মেহেরপুর জেলার সংসদীয় ২টি আসন তুলে ধরা হলোঃ
মেহেরপুর-১ঃ মেহেরপুর সদর উপজেলা ও মুজিবনগর উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বি:দ্রঃ মেহেরপুর-১ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা মেহেরপুর জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ৭৩নং আসন।
মেহেরপুর-২ঃ গাংনী উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বি:দ্রঃ মেহেরপুর-২ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা মেহেরপুর জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ৭৪নং আসন।



