জয়পুরহাট জেলা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী জেলা, যা রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত। ভৌগোলিক অবস্থান, কৃষি উৎপাদন, খনিজ সম্পদ (বিশেষ করে ইট, চুনাপাথর ও মাটির সম্পদ),
সমৃদ্ধ লোকসংস্কৃতি এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা মিলিয়ে জয়পুরহাট দেশের একটি উল্লেখযোগ্য জেলা হিসেবে পরিচিত। জেলার উত্তরে দিনাজপুর, দক্ষিণে নওগাঁ, পূর্বে বগুড়া এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
তেঁতুলিয়া, ছোট যমুনা ও তুলসীগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বিকশিত হয়েছে। বর্তমানে প্রশাসনিকভাবে জয়পুরহাট জেলা ৫টি উপজেলা নিয়ে গঠিতঃ
- জয়পুরহাট সদর
- ক্ষেতলাল উপজেলা
- পাঁচবিবি উপজেলা
- আক্কেলপুর উপজেলা
- কালাই উপজেলা
এই ৫টি উপজেলা মিলিয়ে পুরো জয়পুরহাট জেলাকে ২টি সংসদীয় আসনে বিভক্ত করা হয়েছে, যেগুলো হলোঃ
- জয়পুরহাট সদর উপজেলা এবং পাঁচবিবি উপজেলা নিয়ে জয়পুরহাট-১ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- কালাই উপজেলা, ক্ষেতলাল উপজেলা এবং আক্কেলপুর উপজেলা নিয়ে জয়পুরহাট-২ আসনটি গঠিত হয়েছে।
প্রতিটি আসন থেকে একজন করে জনপ্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন। জেলার এই ২টি আসন স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা, কৃষি ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুনঃ শেরপুর জেলার সংসদীয় আসন কয়টি
জয়পুরহাট জেলার সংসদীয় আসন কয়টি?
নিচে জয়পুরহাট জেলার সংসদীয় ২টি আসন তুলে ধরা হলোঃ
জয়পুরহাট-১ঃ জয়পুরহাট সদর উপজেলা এবং পাঁচবিবি উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বি:দ্রঃ জয়পুরহাট-১ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা জয়পুরহাট জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ৩৪নং আসন।
জয়পুরহাট-২ঃ কালাই উপজেলা, ক্ষেতলাল উপজেলা এবং আক্কেলপুর উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বি:দ্রঃ জয়পুরহাট-২ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা জয়পুরহাট জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ৩৫নং আসন।



