ফেনী জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত জেলা। ফেনী নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই জেলা কৃষি, শিল্প, ব্যবসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য সুপরিচিত।
ঢাকা, চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ ফেনী জেলার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করায় এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।
চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ফেনী জেলা ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড, শিল্পায়ন এবং আন্তঃজেলা যোগাযোগে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অবস্থান ফেনী জেলাকে অর্থনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ী জেলার সংসদীয় আসন কয়টি
ফেনী জেলার আয়তন কত?
ফেনী জেলার মোট আয়তন প্রায় ৯২৮.৩৪ বর্গকিমি (৩৫৮.৪৩ বর্গমাইল)। আয়তনের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের মধ্যম আকারের জেলা হলেও এর অর্থনৈতিক ও যোগাযোগগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
ভৌগোলিক সীমানা অনুযায়ী ফেনী জেলার উত্তরে কুমিল্লা জেলা ও দক্ষিণে নোয়াখালী জেলা এবং বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী অঞ্চল ও পূর্বে চট্টগ্রাম জেলা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ও পশ্চিমে নোয়াখালী জেলা।
ফেনী নদী, মুহুরী নদী ও সিলোনিয়া নদী এই জেলার প্রধান নদী, যা কৃষি উৎপাদন ও ভূপ্রকৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শেষ কথা
সব মিলিয়ে বলা যায়, ফেনী জেলা আয়তন ও ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জেলা।
উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, উর্বর কৃষিজমি, শিল্পাঞ্চল এবং কৌশলগত অবস্থান ফেনী জেলাকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করেছে।
সঠিক পরিকল্পনা, শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে ফেনী জেলার সম্ভাবনাকে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃতভাবে কাজে লাগানো সম্ভব।



