ডলার ইনকাম করার অ্যাপ | ডলার ইনকাম করার ওয়েবসাইট

বর্তমানে স্মার্টফোন আর ইন্টারনেট থাকলেই ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা (ডলার) আয় করা সম্ভব। বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সহজ কাজ করে আয় করা যাচ্ছে সৎ ও নির্ভরযোগ্য উপায়ে।ডলার ইনকাম করার অ্যাপ | ডলার ইনকাম করার ওয়েবসাইটএই আর্টিকেলে আমরা এমন কিছু জনপ্রিয় ও কার্যকর প্ল্যাটফর্মের তালিকা তুলে ধরেছি, যেগুলো দিয়ে আপনি বিনিয়োগ ছাড়াই ডলার ইনকাম শুরু করতে পারেন।

ডলার ইনকাম করার অ্যাপস?

ডলার ইনকাম করার অ্যাপসগুলোর মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে অনলাইনে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারেন। নিচে কিছু জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত অ্যাপের তালিকা দেওয়া হলো যেগুলোর মাধ্যমে ডলার আয় করা যায়ঃ

১. TimeBucks

TimeBucks অ্যাপে সার্ভে ফিলাপ, কনটেন্ট দেখা, অ্যাড ক্লিক ইত্যাদি কাজ করে ডলার আয় করা যায়। এটি পিটিসি ও মাইক্রোটাস্ক উভয় কাজ সাপোর্ট করে।

২. Honeygain

আপনার ইন্টারনেট ডেটা শেয়ার করে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারেন এই অ্যাপ দিয়ে। প্রতি মাসে কিছুটা ডলার ইনকাম হয়, কোন কাজ ছাড়াই।

৩. Upwork

আপওয়ার্ক হলো একটি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি বিভিন্ন স্কিল যেমনঃ গ্রাফিক ডিজাইন, কনটেন্ট রাইটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদির কাজ করে ডলার ইনকাম করতে পারেন। এখানে কাজ পেলেই ক্লায়েন্ট আপনাকে ডলারে পেমেন্ট দেয়।

৪. Fiverr

Fiverr এ আপনি ৫ ডলার থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামের সেবা অফার করতে পারেন। এটি ছোট ছোট কাজের জন্য উপযুক্ত, যেমনঃ লোগো ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ভয়েসওভার ইত্যাদি।

৫. Swagbucks

এই অ্যাপে ছোট ছোট কাজ যেমন ভিডিও দেখা, সার্ভে ফিলাপ, গেম খেলা ইত্যাদি করে পয়েন্ট আয় করা যায়। এই পয়েন্ট রিডিম করে আপনি ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৬. Remotasks

এই প্ল্যাটফর্মে ছবি ট্যাগ করা, অডিও ট্রান্সক্রিপশন, ডেটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ করে আপনি ডলার ইনকাম করতে পারেন। সহজ কাজ থাকলেও নিরবিচারে মনোযোগ দরকার।

৭. Toloka

Yandex কোম্পানির এই অ্যাপে সহজ টাস্ক যেমন ছবি শনাক্ত করা, ওয়েবসাইট চেক করা ইত্যাদি করে আপনি ডলার আয় করতে পারেন। এটি মোবাইল-ফ্রেন্ডলি এবং বাংলাদেশে ভালোভাবে কাজ করে।

৮. UserTesting

ওয়েবসাইট বা অ্যাপ টেস্ট করে মতামত দিয়ে এই অ্যাপ থেকে আপনি প্রতি টেস্টে $১০ পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন। ইংরেজিতে কথা বলতে পারলে বেশি লাভবান হবেন।

৯. InboxDollars

এই অ্যাপে ছোট ছোট কাজ যেমন সার্ভে, ভিডিও দেখা, ইমেইল রিডিং ইত্যাদি করে আপনি ইনকাম করতে পারেন। পেমেন্ট ডলারেই হয় এবং এটি USA ভিত্তিক হলেও বাংলাদেশ থেকেও ব্যবহারযোগ্য।

১০. Appen

Appen একটি ডেটা অ্যানালাইসিস কোম্পানি, যেখানে আপনি পার্ট-টাইম মাইক্রোটাস্ক, সার্ভে, ও ভাষাভিত্তিক কাজ পেতে পারেন। কাজের জন্য ইংরেজির দক্ষতা দরকার হয়।

১১. Clickworker

ছোট ছোট কাজ যেমনঃ ওয়েব রিসার্চ, ডেটা এন্ট্রি, টেক্সট ক্যাপশন ইত্যাদি করে আপনি ডলার ইনকাম করতে পারবেন। কাজ সহজ এবং নিয়মিত পাওয়া যায়।

১২. Skillshare

আপনি যদি কোনো বিষয়ে দক্ষ হন, তাহলে ভিডিও কোর্স বানিয়ে Skillshare এ আপলোড করে রয়্যালটি ইনকাম করতে পারেন। প্রতিটি দর্শনের উপর ডলার ইনকাম হয়।

১৩. Chegg Study

আপনি যদি শিক্ষাগত বিষয়ে দক্ষ হন (বিশেষ করে গণিত, বিজ্ঞান, ব্যবসা), তাহলে Chegg Study তে টিউটর হিসেবে রেজিস্টার করে উত্তর দিয়ে ডলার আয় করতে পারেন।

১৪. Toptal

এই প্ল্যাটফর্মটি হাই-লেভেল ফ্রিল্যান্সারদের জন্য। সফটওয়্যার ডেভেলপার, ডিজাইনার, ফিন্যান্স এক্সপার্টরা এখানে প্রতিযোগিতামূলক রেটে কাজ পায় এবং সরাসরি ডলারে পেমেন্ট হয়।

১৫. Slidejoy

Slidejoy অ্যাপ আপনার ফোনের লক স্ক্রিনে বিজ্ঞাপন দেখায় এবং আপনি প্রতিদিন সামান্য করে ডলার ইনকাম করতে পারেন। খুব সহজ প্যাসিভ ইনকামের মাধ্যম।

আরও পড়ুনঃ টাইপিং করে টাকা ইনকাম | টাইপিং করে টাকা ইনকাম করার উপায়

১৬. Field Agent

এই অ্যাপে আপনাকে দোকান বা পণ্যের মূল্য যাচাই, ছবি তোলা, ফিডব্যাক দেওয়া ইত্যাদি করতে হয়। এগুলো করে আপনি প্রতি টাস্কে ডলার ইনকাম করেন।

১৭. Survey Junkie

এটি একটি জনপ্রিয় সার্ভে অ্যাপ, যেখানে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির মতামত দিয়ে প্রতি সার্ভেতে $১-$৫ পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

১৮. AirTm

AirTm একটি ই-ওয়ালেট অ্যাপ যা আপনাকে বিভিন্ন ইনকাম সোর্স থেকে ডলার গ্রহণ ও লোকাল কারেন্সিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে। এটিও মাঝেমধ্যে ইনকাম অফার দিয়ে থাকে।

১৯. Rakuten (Ebates)

অনলাইন কেনাকাটায় ক্যাশব্যাক দেয় এই অ্যাপটি। আপনি যখন এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট দোকানে শপিং করবেন, তখন কিছু শতাংশ ডলার ফেরত পাবেন যা পরে তুলতে পারবেন।

২০. Sweatcoin

হাঁটার জন্য টাকা দেয় এমন একটি অ্যাপ। আপনি হাঁটলে Sweatcoin পয়েন্ট পান, যেগুলো নির্দিষ্ট অফারে রিডিম করা যায় অথবা কিছু কেসে ডলারেও কনভার্ট করা যায়।

২১. CashKarma

এই অ্যাপে সার্ভে, অফার কমপ্লিট, অ্যাপ ডাউনলোড, রেফার ইত্যাদির মাধ্যমে আপনি পয়েন্ট ও পরে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

২২. ySense

ইহা এটি একটি পুরোনো ও জনপ্রিয় পিটিসি ও সার্ভে ইনকাম সাইট। এখানে অ্যাপ ও ওয়েব দুটোতেই কাজ করা যায় এবং ডলার ইনকাম হয়।

২৩. SproutGigs

ছোট ছোট মাইক্রোটাস্ক (যেমনঃ রিভিউ লেখা, ফলো করা, কমেন্ট করা) করে আপনি প্রতিটি টাস্ক থেকে $0.05–$2 পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

২৪. Voicy Network

যারা ভয়েস রেকর্ড করতে পারেন, তাদের জন্য এই প্ল্যাটফর্ম ভালো। ভয়েস রেকর্ড করে আপনি প্রতি ক্লিপে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

২৫. Testbirds

অ্যাপ ও ওয়েবসাইট টেস্টিং করার মাধ্যমে আপনি ইউজার এক্সপেরিয়েন্স রিভিউ দিয়ে প্রতি টেস্টে $১০-$৫০ পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

২৬. OneForma

Appen এর মতোই একটি গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ডেটা অ্যানালাইসিস, ট্রান্সক্রিপশন, ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্টিং ইত্যাদি করে আপনি ডলার ইনকাম করতে পারেন।

২৭. Qmee

এই ব্রাউজার অ্যাড-অন ও অ্যাপটি সার্চ, সার্ভে ও অ্যাড ক্লিক করার মাধ্যমে ডলার ইনকাম করতে দেয়। পেমেন্ট PayPal এ পাওয়া যায়।

২৮. Foap

আপনার মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে বিক্রি করতে পারেন Foap অ্যাপে। প্রতিটি ছবি বিক্রি হলে আপনি $৫ বা তার বেশি আয় করতে পারেন।

২৯. Rumble

একটি ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ যেখানে আপনি নিজস্ব ভিডিও আপলোড করে Ad Revenue ও লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে ডলার ইনকাম করতে পারেন। YouTube এর বিকল্প হিসেবে অনেকেই এটি ব্যবহার করছেন।

৩০. Dreamstime

আপনার তোলা ফটোগ্রাফ বা ইমেজ বিক্রি করে ডলার ইনকাম করার একটি অ্যাপ। এটি Foap এর মতোই, তবে বেশি রিচ ও মার্কেটপ্লেস বড়।

আরও পড়ুনঃ ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট

৩১. Streetbees

এই অ্যাপে আপনাকে রোজকার জীবনের ছোট ছোট প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। যেমন আপনি কী খাচ্ছেন, কোথায় যাচ্ছেন ইত্যাদি। প্রতিটি “স্টোরি” এর জন্য আপনি ডলার ইনকাম করেন।

৩২. Rev

Rev অ্যাপের মাধ্যমে আপনি অডিও ট্রান্সক্রিপশন, সাবটাইটেলিং বা ক্যাপশনিং-এর কাজ করে প্রতি মিনিটে ডলার ইনকাম করতে পারেন। ইংরেজি ভালো জানলে এখানে ভালো ইনকাম সম্ভব।

৩৩. Cambly

ইংরেজি স্পোকেন ভালো হলে Cambly তে আপনি বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখানোর মাধ্যমে প্রতি মিনিটে ডলার আয় করতে পারেন। কোনো বিশেষ সার্টিফিকেট লাগে না।

৩৪. Tutlo

Cambly র মতোই, এটি একটি অনলাইন টিচিং অ্যাপ যেখানে ইংরেজি শেখানো যায়। বাংলাদেশি শিক্ষকরাও এখানে কাজ করছেন এবং ডলার ইনকাম করছেন।

৩৫. Preply

আপনি যদি কোনো বিষয়ের (গণিত, বিজ্ঞান, ভাষা ইত্যাদি) পার্সোনাল টিউটর হতে চান, তাহলে Preply প্ল্যাটফর্মে রেজিস্টার করে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৩৬. Voices.com

যারা ভয়েসওভার কাজ করতে চান, তাদের জন্য একটি দারুণ অ্যাপ। এখানে ভয়েস স্যাম্পল আপলোড করে আপনি কাজ পেলে প্রতি প্রজেক্টে $১০০+ ইনকাম করতে পারেন।

৩৭. PeoplePerHour

ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য আরেকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। ডিজাইন, লেখা, ওয়েবসাইট বানানোসহ নানা কাজ পাওয়া যায় এবং প্রতি ঘন্টায় ডলার ইনকাম করা যায়।

৩৮. 99designs

ডিজাইনারদের জন্য বিশেষভাবে বানানো অ্যাপ। এখানে আপনি লোগো, ব্র্যান্ডিং, ও অন্যান্য গ্রাফিক ডিজাইন কনটেস্টে অংশ নিয়ে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৩৯. UserZoom Go

এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি ওয়েবসাইট বা অ্যাপ টেস্ট করে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স জানিয়ে প্রতি টেস্টে $১০-$৬০ পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

৪০. Minds

Minds হলো একটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ যেখানে কনটেন্ট পোস্ট করে এবং এনগেজমেন্টের ভিত্তিতে আপনি ডলার আয় করতে পারেন। এটি Ad Revenue ও টোকেন সাপোর্ট করে।

৪১. Twitch

যদি আপনি গেম স্ট্রিমিং বা লাইভ ভিডিওতে আগ্রহী হন, তাহলে Twitch এর মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশন, দান (donation), এবং অ্যাড রেভিনিউ থেকে ডলার ইনকাম করা যায়।

৪২. Patreon

আপনি যদি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হন (ভিডিও, গান, লেখালেখি ইত্যাদি), তাহলে Patreon এ ভক্তদের কাছ থেকে মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি নিয়ে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৪৩. Amazon MTurk (Mechanical Turk)

এই প্ল্যাটফর্মে আপনি বিভিন্ন ছোট ছোট ডেটা প্রক্রিয়াকরণ টাস্ক করে প্রতি কাজের জন্য ডলার ইনকাম করতে পারেন। বিশ্বজুড়ে ফ্রিল্যান্সাররা এটি ব্যবহার করে।

৪৪. Snapwire

ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি আয় করার অ্যাপ যেখানে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির নির্দিষ্ট রিকোয়েস্টে ছবি জমা দিয়ে বেস্ট পিক হলে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৪৫. Slicethepie

এই অ্যাপে নতুন গান, পোশাক বা প্রোডাক্ট রিভিউ দিয়ে প্রতি রিভিউতে কিছুটা করে ডলার ইনকাম হয়। পেমেন্ট PayPal এর মাধ্যমে হয়।

আরও পড়ুনঃ ফ্রিতে লুডু খেলে টাকা ইনকাম

৪৬. Gigwalk

Gigwalk আপনাকে লোকাল কাজ (যেমন দোকানের ছবি তোলা, প্রোডাক্ট চেক করা ইত্যাদি) দেয় এবং প্রতি গিগে $৫-$২০ পর্যন্ত ইনকাম হয়।

৪৭. Cash App (with Boost offers)

মূলত মানি ট্রান্সফার অ্যাপ হলেও, Cash App এর Boost অফারগুলো ব্যবহার করে কিছু কেনাকাটায় ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়, যা ডলারে রিডিমযোগ্য।

৪৮. StockX

আপনার কাছে যদি ব্র্যান্ডেড জুতা, পোশাক, বা গ্যাজেট থাকে। তাহলে সেগুলো বিক্রি করে আপনি ডলার ইনকাম করতে পারেন StockX অ্যাপের মাধ্যমে।

৪৯. Bituro

এই অ্যাপে ভিডিও দেখা, সার্ভে করা, অ্যাপ ডাউনলোড করার মাধ্যমে পয়েন্ট আয় হয়, যেগুলো PayPal বা Bitcoin এ ডলার হিসেবে তোলা যায়।

৫০. Userlytics

Userlytics একটি ইউজার টেস্টিং অ্যাপ যেখানে আপনি ওয়েবসাইট ও অ্যাপ টেস্ট করে ফিডব্যাক দিলে প্রতি টেস্টে $১০-$৩০ আয় করতে পারেন।

৫১. TimeBucks

এটি একটি অল-ইন-ওয়ান ইনকাম প্ল্যাটফর্ম। সার্ভে, ভিডিও দেখা, কনটেন্ট দেখা, রেফার, ফেইসবুক কাজ ইত্যাদির মাধ্যমে ডলার ইনকাম করা যায়।

৫২. Locket

এই অ্যাপে আপনি মোবাইলের লক স্ক্রিনে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ও কনটেন্ট দেখতে পান এবং প্রতিদিন ব্যবহার করলেই কিছু পরিমাণ ইনকাম হয়।

৫৩. BeMyEye

লোকাল দোকান বা বাজারে গিয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এই অ্যাপ ইনকাম দেয়। ছোট ছোট গিগ কমপ্লিট করে আপনি ডলার আয় করতে পারবেন।

৫৪. Freelancer.com

বিশ্বের অন্যতম বড় ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম। মোবাইল অ্যাপ থেকেও কাজ করা যায়। ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি, লেখা, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টসহ নানা কাজে ডলার আয় হয়।

৫৫. UpVoice

আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ডেটা (গোপনীয়তা রক্ষা করে) শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি পয়েন্ট পান যা ডলারে রিডিম করতে পারেন। এটি প্যাসিভ ইনকামের মতো কাজ করে।

৫৬. Freelancing Teams

এটি একটি টিম-ভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি টিম গঠন করে বিভিন্ন বড় প্রজেক্টে অংশগ্রহণ করতে পারেন এবং ডলার ইনকাম হয়।

৫৭. Shopkick

এই অ্যাপে আপনি বিভিন্ন শপে গিয়ে চেক-ইন করলেই পয়েন্ট পান, যা পরে রিডিম করে গিফট কার্ড বা ডলার আয় করা যায়।

৫৮. Airbnb (Host App)

যদি আপনার বাড়িতে অতিরিক্ত রুম থাকে, তাহলে Airbnb হোস্ট হিসেবে রেজিস্টার করে বিদেশি পর্যটকদের থাকা দিয়ে ডলার ইনকাম করতে পারেন। এটির একটি হোস্ট অ্যাপ রয়েছে।

৫৯. TaskRabbit

এই অ্যাপে আপনি ছোটখাটো কাজ (ঘর পরিষ্কার, মেরামত, জিনিসপত্র বহন ইত্যাদি) করে প্রতি ঘণ্টায় ডলার ইনকাম করতে পারেন। যদিও এটি মূলত শহরভিত্তিক, তবুও রিমোট কাজও থাকে।

৬০. OfferUp

ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত পণ্য বিক্রি করে আপনি এই অ্যাপে ডলার ইনকাম করতে পারেন। এটি লোকাল মার্কেটপ্লেস হলেও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক জনপ্রিয়।

আরও পড়ুনঃ রিয়েল টাকা ইনকাম app

৬১. Toptal

এটি হাই-লেভেল স্কিলড ফ্রিল্যান্সারদের জন্য, যেমনঃ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, ডিজাইনার বা ফাইন্যান্স এক্সপার্ট। প্রতিটি প্রজেক্টে বড় অংকের ডলার ইনকাম হয়।

৬২. Dscout

এই অ্যাপটি “মিশন” ভিত্তিক কাজ দেয়। যেখানে আপনাকে ছবি তোলা, ভিডিও বানানো, মতামত দেওয়া ইত্যাদি করতে হয়। প্রতিটি মিশনে $২০ থেকে $২০০ পর্যন্ত ইনকাম হতে পারে।

৬৩. Shutterstock Contributor

আপনি ছবি, ভিডিও, ভেক্টর বা গ্রাফিক ডিজাইন তৈরি করে Shutterstock এ আপলোড করলে, প্রতি বিক্রিতে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৬৪. Redbubble

নিজস্ব ডিজাইন (T-Shirt, মগ, স্টিকার ইত্যাদি) আপলোড করলে, কেউ কিনলে আপনি প্রতি বিক্রিতে রেভিনিউ পান। প্যাসিভ ইনকামের দারুণ উপায়।

৬৫. Merch by Amazon

Redbubble-এর মতোই, আপনি ডিজাইন দিলে Amazon সেই প্রোডাক্ট ছাপে ও বিক্রি করে। আর আপনি প্রতি বিক্রিতে রয়্যালটি হিসেবে ডলার ইনকাম করেন।

৬৬. Skillshare

আপনি যদি ভিডিও কোর্স বানাতে পারেন, তাহলে Skillshare এ আপলোড করে মাসিক সাবস্ক্রিপশন আয় করতে পারেন। প্রতিটি শিক্ষার্থী দেখার উপর ইনকাম হয়।

৬৭. Teachable

নিজের অনলাইন কোর্স তৈরি করে বিক্রি করতে চাইলে Teachable প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন। পেমেন্ট ডলারেই হয়।

৬৮. Thinkific

Skillshare ও Teachable এর মতোই, এটি একটি কোর্স সেলিং অ্যাপ। নিজস্ব ওয়েবসাইটসহ কোর্স বিক্রি করে আপনি ভালো পরিমাণ ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৬৯. Foap

এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি মোবাইলে তোলা ছবি বিক্রি করতে পারেন। প্রতিটি ছবির বিক্রিতে আপনি $৫ বা তার বেশি ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

৭০. Remotasks

ছোট ছোট অনলাইন টাস্ক যেমনঃ ইমেজ অ্যানোটেশন, ডেটা ক্যাটাগরাইজেশন ইত্যাদি করে সহজেই ডলার ইনকাম করা যায়। শিক্ষানবিশদের জন্য উপযুক্ত।

৭১. Clickworker

আপনি যদি টাইপিং, সার্ভে, প্রুফরিডিং বা ওয়েব রিসার্চে দক্ষ হন, তাহলে Clickworker অ্যাপে সহজে ইনকাম করতে পারবেন। পেমেন্ট PayPal এ হয়।

৭২. Rev

Rev হলো একটি ট্রান্সক্রিপশন ও ক্যাপশনিং সাইট। এটির অ্যাপ ব্যবহার করে অডিও শুনে টাইপ করে ডলার ইনকাম করা যায়।

৭৩. PeoplePerHour

একটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস যা মোবাইল অ্যাপেও কাজ করে। ডিজাইন, লেখা, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি কাজ করে ডলার আয় করতে পারবেন।

৭৪. UserTesting

ওয়েবসাইট ও অ্যাপ টেস্ট করে রিভিউ দিলে প্রতি টেস্টে $১০ বা তার বেশি ইনকাম হয়। সাধারণত ১৫–২০ মিনিটের কাজ।

৭৫. AdWallet

বিজ্ঞাপন দেখা এবং মতামত দেওয়ার বিনিময়ে এই অ্যাপটি প্রতি ভিডিওতে $০.৫০ থেকে $৩ পর্যন্ত দেয়।

আরও পড়ুনঃ দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps

৭৬. Surge (Uber Partner App)

আপনি যদি গাড়িচালক হন, তাহলে Uber এর পার্টনার অ্যাপ ব্যবহার করে যাত্রী পরিবহনের মাধ্যমে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৭৭. Rover

এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি পোষা প্রাণীর যত্ন (dog walking, pet sitting) করে আয় করতে পারেন। এটি বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকায় জনপ্রিয়।

৭৮. Zareklamy

এই অল-ইন-ওয়ান অ্যাপে ভিডিও দেখা, অ্যাপ ডাউনলোড, সার্ভে ইত্যাদি করে ইনকাম করা যায়। এটি মোবাইল ও ডেস্কটপ দুই প্ল্যাটফর্মেই কাজ করে।

৭৯. Streetbees

এই অ্যাপে আপনাকে ছোট ছোট “লাইফস্টাইল” প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। যেমন আপনি কী খাচ্ছেন, কী ব্যবহার করছেন ইত্যাদি। প্রতি টাস্কে $১-$৫ পর্যন্ত আয় হয়।

৮০. Sweatcoin

আপনি হাঁটার মাধ্যমে কয়েন আয় করেন, যেগুলো নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট বা PayPal ক্যাশে রিডিম করতে পারেন। এটি হেলথ অ্যাপও বটে।

৮১. InboxPounds (UK)/InboxDollars (USA)

ভিডিও দেখা, সার্ভে করা, ও অ্যাপ ডাউনলোড করার মাধ্যমে আয় করা যায়। মূলত ইউএস/ইউকে ভিত্তিক হলেও ভিপিএন দিয়ে অ্যাক্সেসযোগ্য।

৮২. Viggle

আপনি টিভি শো বা মিউজিক শুনলে এই অ্যাপ আপনাকে পয়েন্ট দেয়, যেগুলো আপনি গিফট কার্ড বা ডলারে রূপান্তর করতে পারেন।

৮৩. TaskBucks

মূলত ভারতীয় প্ল্যাটফর্ম হলেও কিছু আন্তর্জাতিক অফার রয়েছে, যেখানে অ্যাপ ডাউনলোড বা রেফার করে আয় করা যায়।

৮৪. AppKarma

অ্যাপ ইনস্টল, খেলা এবং ব্যবহার করে পয়েন্ট অর্জন হয়, যেগুলো PayPal ডলার বা গিফট কার্ডে রিডিম করা যায়।

৮৫. CashKarma

AppKarma এর মতোই, তবে আরও বেশি সার্ভে এবং ভিডিও অপশন থাকে। প্রতিদিন ইনকামের সুযোগ।

৮৬. Field Agent

রিটেইল স্টোরে গিয়ে ছোট ছোট কাজ (যেমন ছবি তোলা, দাম যাচাই) করলে $৩-$১২ পর্যন্ত আয় হয়।

৮৭. FeaturePoints

অ্যাপ ডাউনলোড, শপিং, সার্ভে ইত্যাদির মাধ্যমে ইনকাম হয়। PayPal ও Gift Card পেমেন্ট সাপোর্ট করে।

৮৮. Toluna Influencers

এই অ্যাপে আপনি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট সম্পর্কে মতামত দিয়ে পয়েন্ট পান, যেগুলো দিয়ে আপনি ডলার ক্যাশআউট করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ বসে না থেকে ত্রই apps দিয়ে 300 টাকা ইনকাম করুন .কাজ করা খুব সোজা

ডলার ইনকাম করার ওয়েবসাইট?

নিচে ডলার ইনকাম করার ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ

১. Teachable

এই প্ল্যাটফর্মে আপনি নিজের অনলাইন কোর্স তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন। এটি শিক্ষকদের জন্য একটি দারুণ উপায়, যেহেতু আপনি কন্টেন্ট বিক্রি করে ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

২. Medium

Medium হল একটি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি লেখালেখি করে কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারেন। তাদের পার্টনারশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে আপনি আপনার লেখা থেকে ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

৩. ClickBank

ClickBank একটি জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ওয়েবসাইট। আপনি এখানে বিভিন্ন ডিজিটাল প্রোডাক্টের প্রোমোটার হয়ে কমিশন হিসেবে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৪. Amazon Associates

এটি অ্যামাজনের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, যেখানে আপনি বিভিন্ন প্রোডাক্টের লিঙ্ক শেয়ার করে বিক্রির উপর কমিশন পেতে পারেন।

৫. Tutor.com

এই ওয়েবসাইটটি টিউটরদের জন্য, যেখানে আপনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনলাইন শিক্ষা প্রদান করে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৬. Shutterstock

আপনি যদি ফটোগ্রাফি বা ভিডিও বানাতে পারেন, তাহলে Shutterstock এ আপনার ছবি বা ভিডিও আপলোড করে পয়সা উপার্জন করতে পারবেন।

৭. UserTesting

এই ওয়েবসাইটে আপনি ওয়েবসাইট বা অ্যাপ টেস্ট করে প্রতিটি টেস্টের জন্য টাকা পাবেন। প্রতি টেস্টের জন্য $10 বা তার বেশি আয় করা যায়।

৮. FlexJobs

FlexJobs একটি সেরা রিমোট জব প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং ও রিমোট কাজ পাবেন, যেগুলোর মাধ্যমে আপনি ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

৯. WritersWork

WritersWork হল একটি লেখালেখির জন্য একটি ভাল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি কন্টেন্ট লিখে বা প্রুফরিডিং করে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

১০. PeoplePerHour

এই ওয়েবসাইটটি মূলত ফ্রিল্যান্স কাজের জন্য, যেখানে আপনি বিভিন্ন কাজ যেমনঃ ডিজাইন, লেখালেখি, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি করে ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

১১. Etsy

আপনি যদি হ্যান্ডমেড পণ্য, ডিজিটাল আর্ট, অথবা প্রিন্টেবল সামগ্রী তৈরি করতে পারেন, তাহলে Etsy-তে একটি দোকান খুলে সেগুলো বিক্রি করে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

১২. Toptal

এই প্ল্যাটফর্ম মূলত হাই-লেভেল ফ্রিল্যান্সারদের জন্য। আপনি যদি স্কিলড সফটওয়্যার ডেভেলপার, ডিজাইনার বা ফিনান্স এক্সপার্ট হন, তাহলে এখানে উচ্চমূল্যে কাজ পেতে পারেন।

১৩. Rev

Rev ওয়েবসাইটে আপনি ট্রান্সক্রিপশন, ক্যাপশনিং বা সাবটাইটেলিং করে ডলার ইনকাম করতে পারবেন। প্রতিটি মিনিটের অডিও/ভিডিওর জন্য নির্দিষ্ট অর্থ প্রদান করা হয়।

১৪. Skillshare

Skillshare-এ আপনি ভিডিও আকারে কোনো স্কিল শেখানোর কোর্স বানিয়ে আপলোড করতে পারেন এবং ইউজারদের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।

১৫. Cafepress

Cafepress এ আপনি টি-শার্ট, মগ, ব্যাগ ইত্যাদির ডিজাইন তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন। বিক্রি হলে আপনি প্রতি প্রোডাক্টে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন।

আরও পড়ুনঃ পিটিসি সাইট থেকে ইনকাম | বিশ্বস্ত পিটিসি সাইট

১৬. 99designs

ডিজাইনারদের জন্য একটি অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি লোগো, ব্র্যান্ডিং, ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদির কাজ পেয়ে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

১৭. Merch by Amazon

আপনার ডিজাইন ব্যবহার করে Amazon নিজেই প্রিন্ট করে পণ্য বিক্রি করে, এবং আপনি প্রতি বিক্রিতে রয়্যালটি পান। এটি প্যাসিভ ইনকামের জন্য দারুণ একটি মাধ্যম।

১৮. Rover

এই ওয়েবসাইটে আপনি ডগ ওয়াকিং বা পেট কেয়ার সার্ভিস অফার করে আয় করতে পারেন। এটি মূলত ইউএস-ভিত্তিক, তবে রিমোট সুযোগও থাকে।

১৯. PhotoDune

PhotoDune একটি ডিজিটাল ফটো বিক্রির মার্কেটপ্লেস। এখানে আপনি ফটোগ্রাফি করে আপলোড করলে সেগুলো বিক্রি করে ডলার আয় করতে পারেন।

২০. Voices.com

আপনি যদি ভয়েসওভার দিতে পারেন (বাংলা বা ইংরেজি), তাহলে এই সাইটে ভয়েসওভার প্রজেক্ট নিয়ে ইনকাম করতে পারেন।

২১. Guru

Guru হলো একটি ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি প্রফেশনাল সার্ভিস (লেখা, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজাইন ইত্যাদি) দিয়ে ডলার আয় করতে পারেন।

২২. Zazzle

Zazzle-এ আপনি টি-শার্ট, মগ, স্টিকার, এবং অন্যান্য প্রিন্ট-অন-ডিমান্ড পণ্য ডিজাইন করে বিক্রি করে রয়্যালটি পেতে পারেন।

২৩. Textbroker

যারা ইংরেজিতে ভালোভাবে কন্টেন্ট লিখতে পারেন, তাদের জন্য Textbroker একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম। এখানে লেখালেখি করে ডলার আয় করা যায়।

২৪. Ezoic

আপনার যদি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, Ezoic ব্যবহার করে আপনি Google AdSense এর থেকেও ভালো বিজ্ঞাপন রেভিনিউ পেতে পারেন।

২৫. Chegg Tutors

ছাত্রদের পড়ানোর মাধ্যমে এই ওয়েবসাইট থেকে ডলার ইনকাম করা যায়। আপনাকে একটি সাবজেক্টে দক্ষ হতে হবে।

২৬. Patreon

Patreon হলো ক্রিয়েটরদের জন্য সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক ইনকাম সোর্স। এখানে আপনি আপনার ভক্তদের কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে ডলার পেতে পারেন কনটেন্ট দিয়ে।

২৭. Envato Market

যারা থিম, টেমপ্লেট, গ্রাফিক্স বা অডিও ফাইল তৈরি করেন, তারা এখানে সেগুলো বিক্রি করে ডলার আয় করতে পারেন।

২৮. Remote OK

এটি রিমোট জব খোঁজার একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। আপনি এখান থেকে ফ্রিল্যান্স বা ফুল-টাইম রিমোট কাজ খুঁজে নিতে পারেন।

২৯. DesignCrowd

ডিজাইনারদের জন্য আরেকটি ভালো প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি ক্লায়েন্টদের জন্য লোগো, ব্যানার, পোস্টার ডিজাইন করে আয় করতে পারেন।

৩০. Scribie

Scribie হলো একটি ট্রান্সক্রিপশন সাইট, যেখানে ছোট অডিও ক্লিপ শুনে টাইপ করে ডলার ইনকাম করা যায়।

আরও পড়ুনঃ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে টাকা ইনকাম

৩১. Remotasks

এখানে আপনি ডেটা এনোটেশন, ইমেজ লেবেলিং, অটোনোমাস গাড়ির জন্য ডেটা প্রস্তুতকরণ ইত্যাদি কাজ করে ডলার ইনকাম করতে পারেন। প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করে কাজ শুরু করা যায়।

৩২. Latium

Latium হলো একটি গিগ মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি ছোট ছোট কাজ (micro tasks), ডিজাইন, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি করে ডলার বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ইনকাম করতে পারেন।

৩৩. TaskRabbit

TaskRabbit এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি লোকজনকে ঘরের কাজ, ডেলিভারি বা ছোট সার্ভিস দিয়ে ইনকাম করতে পারেন। এটি কিছু দেশে সীমিতভাবে কার্যকর।

৩৪. Behance (Adobe)

আপনি যদি ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার হন তবে Behance এ আপনার পোর্টফোলিও শেয়ার করে ক্লায়েন্ট আকর্ষণ করতে পারেন এবং সরাসরি ক্লায়েন্টের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।

৩৫. Audiobee

এই সাইটে অডিও ট্রান্সক্রিপশন, অনুবাদ, এবং ভয়েস রেকর্ডিং করে ডলার ইনকাম করা যায়। অনেকে এটি পার্ট-টাইম কাজ হিসেবে ব্যবহার করে।

৩৬. Telus International

এখানে আপনি AI ট্রেইনিং, ডেটা এনালাইসিস, ওয়েব ইভ্যালুয়েশন ইত্যাদি কাজ পেয়ে থাকবেন। গ্লোবালি কাজ পাওয়া যায়।

৩৭. Microworkers

Microworkers হলো একটি মাইক্রো টাস্ক ওয়েবসাইট যেখানে ছোট ছোট কাজ (ক্লিক, সার্ভে, ভিডিও দেখা ইত্যাদি) করে আপনি ডলার আয় করতে পারেন।

৩৮. Voquent

Voquent একটি ভয়েসওভার প্ল্যাটফর্ম। আপনি যদি ভালো ভয়েস ও উচ্চারণে দক্ষ হন, তবে এখানে ভয়েসওভার কাজ করে ডলার ইনকাম করতে পারেন।

৩৯. Studypool

ছাত্রদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে এখানে আপনি ইনকাম করতে পারেন। বিশেষ করে গণিত, বিজ্ঞান, একাউন্টিং ইত্যাদি বিষয়ের টিউটররা ভালো আয় করতে পারেন।

৪০. WeAre8

এটি একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি সোশ্যাল কনটেন্ট দেখা বা রেসপন্স দিয়ে সামান্য সময় ব্যয় করে ডলার আয় করতে পারেন।

৪১. Kolabtree

Kolabtree মূলত সায়েন্টিফিক এবং একাডেমিক ফ্রিল্যান্স কাজের প্ল্যাটফর্ম। পিএইচডি লেভেলের গবেষক ও এক্সপার্টরা এখানে গবেষণা, ডাটা অ্যানালাইসিস ইত্যাদি কাজ করে ডলার আয় করতে পারেন।

৪২. Testbirds

Testbirds হলো ইউজার এক্সপেরিয়েন্স টেস্টিং সাইট, যেখানে আপনি ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করে ফিডব্যাক দিলে প্রতি টেস্টে $10–$50 পর্যন্ত আয় করতে পারেন।

৪৩. InboxDollars

এই ওয়েবসাইটে আপনি ইমেইল পড়ে, সার্ভে পূরণ করে, ভিডিও দেখে বা ছোট কাজ করে ডলার ইনকাম করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হলেও অনেকে বিশ্বের অন্যান্য স্থান থেকেও ব্যবহার করেন।

৪৪. Fiverr Pro

Fiverr এর প্রিমিয়াম সংস্করণ, যেখানে অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সাররা উচ্চমূল্যে সার্ভিস অফার করেন। যারা দক্ষ, তারা এখান থেকে মোটা অঙ্কের আয় করতে পারেন।

৪৫. Designhill

ডিজাইনারদের জন্য আরেকটি ভালো প্ল্যাটফর্ম, যেখানে লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড, ব্যানার ইত্যাদির কনটেস্টে অংশ নিয়ে ডলার ইনকাম করা যায়।

আরও পড়ুনঃ ফ্রি টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট

৪৬. Appen

Appen AI ডেটা কাজ, সোশ্যাল মিডিয়া ইভালুয়েশন এবং ভাষা-ভিত্তিক প্রজেক্টে লোক নিয়োগ করে। এখানে পার্ট টাইম ভিত্তিতে ডলার ইনকাম সম্ভব।

৪৭. Swagbucks

ছোট ছোট সার্ভে, ভিডিও দেখা, শপিং বা গেম খেলার মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্ম থেকে পয়েন্ট (SB) অর্জন করে তা ডলারে রিডিম করা যায়।

৪৮. Worthy

আপনার পুরনো গহনা বা দামী বস্তু বিক্রি করার একটি ট্রাস্টেড মার্কেটপ্লেস, যেখানে নিলামের মাধ্যমে আপনি ভালো দামে ডলার পেতে পারেন।

৪৯. Outschool

Outschool হলো শিশুদের অনলাইন ক্লাসের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হয়ে ভিডিও কলের মাধ্যমে ক্লাস নিয়ে ডলার আয় করতে পারেন।

৫০. Voice123

Voice123 ভয়েসওভার কাজের আরেকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস, যেখানে আপনি বিভিন্ন প্রকল্পে কণ্ঠ দিয়ে ভালো পরিমাণ ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

সত্যিই কি মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট দিয়ে ডলার আয় করা যায়?

হ্যাঁ, অনেক অ্যাপ ও ওয়েবসাইট রয়েছে যা বৈধভাবে কাজের বিনিময়ে ডলার দিয়ে থাকে, যেমনঃ ফ্রিল্যান্সিং, সার্ভে, ভিডিও দেখা, কনটেন্ট তৈরি ইত্যাদি।

এসব আয় কীভাবে পাওয়া যায়?

সাধারণত PayPal, Payoneer, Skrill বা Bank Transfer এর মাধ্যমে ডলার উত্তোলন করা যায়। কিছু কিছু অ্যাপ গিফট কার্ড বা bKash সাপোর্টও দেয়।

কোন কাজগুলো সবচেয়ে সহজ?

সার্ভে পূরণ, ভিডিও দেখা, অ্যাপ রিভিউ, ডেটা এন্ট্রি, ও মাইক্রো টাস্কগুলো নতুনদের জন্য সহজ এবং জনপ্রিয়।

আয় শুরু করতে কি কোনো ইনভেস্টমেন্ট দরকার?

বেশিরভাগ অ্যাপ ও ওয়েবসাইট ফ্রি হলেও কিছু প্রিমিয়াম সাইটে সদস্য হতে হলে নির্দিষ্ট ফি লাগতে পারে। তবে অনেক ফ্রি ও বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।

প্রতারণামূলক সাইট চেনার উপায় কী?

সন্দেহজনক লিংক, অগ্রিম টাকা চাওয়া, যাচাই না থাকা রিভিউ ইত্যাদি প্রতারণার ইঙ্গিত হতে পারে। বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করাই নিরাপদ।

আরও পড়ুনঃ ফ্রি টাকা ইনকাম

বাংলাদেশ থেকে কি এই ইনকাম সম্ভব?

অবশ্যই সম্ভব। অনেক অ্যাপ ও ওয়েবসাইট আন্তর্জাতিকভাবে খোলা এবং বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করা যায়।

Share Now

This website is mainly created to provide information about travel, travel packages, travel agencies, travel visas, travel Bangladesh, and your travel to Bangladesh. We will always try to give you accurate information.

Leave a Comment