ঝিনাইদহ জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সমৃদ্ধ জেলা। কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, বত্রা ও চিত্রা নদীর স্রোতধারা এই জেলাকে কৃষি-নির্ভর অর্থনীতিতে শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করেছে।
পাশাপাশি ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, কৃষি উৎপাদন, লোকসংস্কৃতি এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের জন্য ঝিনাইদহ একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি পেয়ে এসেছে। খুলনা বিভাগের অন্তর্গত এই জেলা বাংলাদেশের কেন্দ্র
ও দক্ষিণাঞ্চলের সংযোগস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাথে ঝিনাইদহের উন্নত সড়ক যোগাযোগ বাণিজ্য, শিক্ষা, কৃষি ও শিল্প-কারখানার প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করেছে।
আরও পড়ুনঃ সুনামগঞ্জ জেলার সংসদীয় আসন কয়টি
ঝিনাইদহ জেলার আয়তন কত?
ঝিনাইদহ জেলার মোট আয়তন প্রায় ১,৯৬৪.৭৭ বর্গকিমি (৭৫৮.৬০ বর্গমাইল)। বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড ও উর্বর মাটি ঝিনাইদহকে কৃষি উৎপাদনের দিক থেকে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় জেলায় পরিণত করেছে।
ঝিনাইদহ জেলার উত্তরে কুষ্টিয়া জেলা ও দক্ষিণে যশোর ও মাগুরা জেলা এবং পূর্বে রাজবাড়ী ও মাগুরা জেলা এবং পশ্চিমে ঝিনাইদহের সংযুক্ত জেলা চুয়াডাঙ্গা ও যশোর। নবগঙ্গা, চিত্রা ও কপোতাক্ষ নদীর বিভিন্ন
শাখা অঞ্চলটির উর্বরতা, কৃষিজ উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করে। এসব নদী বর্ষায় জলধারণ ও সেচব্যবস্থাকে সহজতর করে কৃষকসমাজের জীবিকাকে আরও সহায়তা প্রদান করে।
শেষ কথা
সব মিলিয়ে বলা যায়, ঝিনাইদহ জেলা আয়তন ও ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
বিস্তীর্ণ কৃষিজমি, নদীসমৃদ্ধ ভূগোল, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এই জেলার পরিচিতিকে আরও উজ্জ্বল করেছে।
সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে ঝিনাইদহ জেলার সামগ্রিক সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।



