কিশোরগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা, যা ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত। ভৌগোলিক অবস্থান, হাওরবেষ্টিত প্রাকৃতিক পরিবেশ, ঐতিহাসিক ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধতার
কারণে কিশোরগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের রাজনীতি ও প্রশাসনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। জেলার উত্তরে নেত্রকোনা জেলা, দক্ষিণে নরসিংদী জেলা, পূর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এবং পশ্চিমে গাজীপুর জেলা অবস্থিত।
কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে নরসুন্দা, কালনী, ধানু ও কংস নদী প্রবাহিত হওয়ায় এই অঞ্চল কৃষি ও জলসম্পদে সমৃদ্ধ। কিশোরগঞ্জ জেলার সমাজ, কৃষি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনীতি বরাবরই জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে।
বর্তমানে প্রশাসনিকভাবে কিশোরগঞ্জ জেলা ১৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিতঃ
- কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা
- মিঠামইন উপজেলা
- অষ্টগ্রাম উপজেলা
- নিকলী উপজেলা
- বাজিতপুর উপজেলা
- কুলিয়ারচর উপজেলা
- ভৈরব উপজেলা
- হোসেনপুরউপজেলা
- পাকুন্দিয়াউপজেলা
- কটিয়াদীউপজেলা
- করিমগঞ্জ উপজেলা
- তাড়াইল উপজেলা
- ইটনা উপজেলা
এই ১৩টি উপজেলা মিলিয়ে পুরো কিশোরগঞ্জ জেলাকে ৬টি সংসদীয় আসনে বিভক্ত করা হয়েছে, যেগুলো হলোঃ
- কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা ও হোসেনপুর উপজেলা নিয়ে কিশোরগঞ্জ-১ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- পাকুন্দিয়া উপজেলা এবং কটিয়াদি উপজেলা নিয়ে কিশোরগঞ্জ-২ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- তাড়াইল উপজেলা এবং করিমগঞ্জ উপজেলা নিয়ে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- ইটনা উপজেলা, মিঠামইন উপজেলা এবং অষ্টগ্রাম উপজেলা নিয়ে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- নিকলী উপজেলা এবং বাজিতপুর উপজেলা নিয়ে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- কুলিয়ারচর উপজেলা এবং ভৈরব উপজেলা নিয়ে কিশোরগঞ্জ-৬ আসনটি গঠিত হয়েছে।
প্রতিটি আসন থেকে একজন করে জনপ্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন। জেলার এই ৬টি আসন স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা, কৃষি ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ী জেলার সংসদীয় আসন কয়টি
কিশোরগঞ্জ জেলার সংসদীয় আসন কয়টি?
নিচে কিশোরগঞ্জ জেলার সংসদীয় ৬টি আসন তুলে ধরা হলোঃ
কিশোরগঞ্জ-১ঃ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা ও হোসেনপুর উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বিঃদ্রঃ কিশোরগঞ্জ-১ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৬২নং আসন।
কিশোরগঞ্জ-২ঃ পাকুন্দিয়া উপজেলা এবং কটিয়াদি উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বিঃদ্রঃ কিশোরগঞ্জ-২ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৬৩নং আসন।
কিশোরগঞ্জ-৩ঃ তাড়াইল উপজেলা এবং করিমগঞ্জ উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বিঃদ্রঃ কিশোরগঞ্জ-৩ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৬৪নং আসন।
কিশোরগঞ্জ-৪ঃ ইটনা উপজেলা, মিঠামইন উপজেলা এবং অষ্টগ্রাম উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বিঃদ্রঃ কিশোরগঞ্জ-৪ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৬৫নং আসন।
কিশোরগঞ্জ-৫ঃ নিকলী উপজেলা এবং বাজিতপুর উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বিঃদ্রঃ কিশোরগঞ্জ-৫ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৬৬নং আসন।
কিশোরগঞ্জ-৬ঃ কুলিয়ারচর উপজেলা এবং ভৈরব উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বিঃদ্রঃ কিশোরগঞ্জ-৬ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৬৭নং আসন।



