এক সময় গেম খেলা শুধুই ছিল সময় কাটানোর এক আনন্দদায়ক মাধ্যম। কিন্তু সময় বদলেছে, বদলেছে গেমিং দুনিয়ার সংজ্ঞা। এখন গেম খেলে শুধু মজা নয়, ঘরে বসেই রীতিমতো অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।
ডিজিটাল যুগে গেমিং হয়ে উঠেছে একটি লাভজনক ক্যারিয়ার অপশন। যেখানে শখ, প্রতিভা আর প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি হচ্ছে আয়ের অসাধারণ সুযোগ।

বর্তমানে এমন অনেক গেম, প্ল্যাটফর্ম এবং অ্যাপস রয়েছে যেখানে আপনি গেম খেলে আয় করতে পারেন টাকা। কেউ টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে হাজার হাজার ডলার আয় করছেন।
কেউ আবার লাইভ স্ট্রিমিং বা ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন বড়সড় ফ্যানবেজ এবং ইনকাম সোর্স। এমনকি কিছু গেমিং অ্যাপস আছে, যেগুলো সোজাসুজি খেললেই পয়েন্ট বা টাকা দিয়ে থাকে।
এই ব্লগে আমরা জানবো গেম খেলে কীভাবে, কোথা থেকে এবং কোন কোন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আপনি যদি একজন গেমপ্রেমী হন, আর চাচ্ছেন আপনার এই শখটাকে রূপ দিতে আয়ের একটি পথে। তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্যই।
গেম খেলে টাকা ইনকাম করার উপায়?
নিচে গেম খেলে টাকা ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ
১. Freelance Game Design or Development
আপনি যদি গেম ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্টে আগ্রহী হন, তবে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মে গেম ডেভেলপমেন্ট বা গেম ডিজাইন করার কাজ করতে পারেন। এতে আপনি গেম তৈরি করে বা এর সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করে আয় করতে পারবেন।
২. Virtual Items Trading
অনেক গেমে ভার্চুয়াল আইটেম বা স্কিন থাকে, যা আপনি কিনে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপঃ CSGO বা Dota 2 এর মতো গেমে স্কিন বা আইটেম ক্রয়-বিক্রয় করে আয় করা সম্ভব।
৩. Sell Gameplay Videos
আপনি যদি গেমের মজার বা শিক্ষামূলক ভিডিও তৈরি করেন, তবে সেগুলি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করতে পারেন, যেমনঃ Vimeo On Demand বা Gumroad। এছাড়াও যদি আপনার চ্যানেল জনপ্রিয় হয়ে যায়, আপনি স্পনসরশিপ থেকে আয় করতে পারেন।
৪. Create and Sell Game Assets
গেমের জন্য অ্যাসেট (যেমনঃ 3D মডেল, অডিও, গেম থিম) তৈরি করে বিক্রি করেও টাকা আয় করা সম্ভব। বিভিন্ন গেম মার্কেটপ্লেস যেমনঃ Unity Asset Store বা Unreal Marketplace এ আপনি আপনার তৈরি করা অ্যাসেট বিক্রি করতে পারেন।
৫. In-game Sponsorships and Partnerships
কিছু জনপ্রিয় গেমারের জন্য ব্র্যান্ডের সাথে পার্টনারশিপ করার সুযোগ থাকে। গেম খেলতে খেলতে স্পনসরশিপ বা পার্টনারশিপের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। যদি আপনি জনপ্রিয় গেমার হন, তবে আপনাকে স্পনসররা পছন্দ করতে পারে।
৬. Freelance Game Design or Development
যদি আপনি গেম ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্টে আগ্রহী হন, তবে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মে গেম ডেভেলপমেন্ট বা গেম ডিজাইন করার কাজ করতে পারেন। এতে আপনি গেম তৈরি করে বা এর সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করে আয় করতে পারবেন।
৭. Virtual Items Trading
অনেক গেমে ভার্চুয়াল আইটেম বা স্কিন থাকে, যা আপনি কিনে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপঃ CSGO বা Dota 2 এর মতো গেমে স্কিন বা আইটেম ক্রয়-বিক্রয় করে আয় করা সম্ভব।
৮. Create and Sell Game Assets
গেমের জন্য অ্যাসেট (যেমনঃ 3D মডেল, অডিও, গেম থিম) তৈরি করে বিক্রি করেও টাকা আয় করা সম্ভব। বিভিন্ন গেম মার্কেটপ্লেস যেমনঃ Unity Asset Store বা Unreal Marketplace এ আপনি আপনার তৈরি করা অ্যাসেট বিক্রি করতে পারেন।
৯. In-game Sponsorships and Partnerships
কিছু জনপ্রিয় গেমারের জন্য ব্র্যান্ডের সাথে পার্টনারশিপ করার সুযোগ থাকে। গেম খেলতে খেলতে স্পনসরশিপ বা পার্টনারশিপের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। যদি আপনি জনপ্রিয় গেমার হন, তবে আপনাকে স্পনসররা পছন্দ করতে পারে।
১০. Beta Testing
নতুন গেম রিলিজের আগে অনেক গেম ডেভেলপার তাদের গেমের বেটা ভার্সন টেস্ট করতে চান। আপনি এই বেটা টেস্টিংয়ে অংশ নিয়ে গেমের বাগ বা সমস্যা চিহ্নিত করতে পারেন এবং এর জন্য টাকা বা পুরস্কার পেতে পারেন।
১১. Sell Game Accounts
কিছু গেমে আপনার চরিত্র বা অ্যাকাউন্টের মান উন্নত করা যায় (যেমনঃ লেভেল, স্কিন, আইটেম ইত্যাদি)। এই ধরনের অ্যাকাউন্ট বিক্রি করেও টাকা উপার্জন করা সম্ভব।
১২. Online Tournaments
গেমিং কমিউনিটিতে অনেক অনলাইন টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়, যেখানে আপনি অংশ নিয়ে অর্থ পুরস্কার জেতার সুযোগ পেতে পারেন। এই টুর্নামেন্টগুলো সাধারণত বিভিন্ন গেমের জন্য হয়ে থাকে, যেমনঃ PUBG, Fortnite, Dota 2, বা Call of Duty।
১৩. Crowdfunding Games
আপনি যদি নিজে একটি গেম তৈরি করতে চান, তবে crowdfunding প্ল্যাটফর্ম যেমনঃ Kickstarter বা Indiegogo ব্যবহার করে আপনার গেমের জন্য ফান্ড সংগ্রহ করতে পারেন।
১৪. Game Modding
অনেক গেমের জন্য মড তৈরি করা যায় (যেমনঃ Skyrim বা Minecraft)। আপনি গেমের জন্য নতুন মড তৈরি করে তা বিক্রি করতে পারেন বা অন্যান্য গেমারদের কাছে ডোনেশন গ্রহণ করতে পারেন।
১৫. Affiliate Marketing for Gaming Products
গেমিং সামগ্রী বা গেম কনসোল প্রমোট করে এবং তাদের লিঙ্ক শেয়ার করে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করতে পারেন।
যদি আপনি গেমিং সম্পর্কিত কোনো পণ্য বা সেবা সম্পর্কে ব্লগ বা ভিডিও তৈরি করেন, তবে আপনার দর্শকরা সেই লিঙ্কে ক্লিক করলে আপনি কমিশন পেতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps
১৬. Game Coaching
যদি আপনি কোনো গেমে খুব দক্ষ হন, তবে অন্যান্য গেমারদের গেম খেলার কৌশল শেখানোর জন্য কোচিং প্রদান করতে পারেন। আপনি ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মে গেম কোচিং পরিষেবা অফার করতে পারেন এবং তাদের কাছ থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
১৭. Competing in “Play-to-Earn” (P2E) Crypto Games
কিছু গেম যেমনঃ The Sandbox, Gods Unchained, এবং Splinterlands ক্রিপ্টোকারেন্সি বা NFT রিওয়ার্ড দেয়। আপনি খেলতে খেলতে কয়েন বা টোকেন উপার্জন করতে পারেন, যা পরবর্তীতে বিক্রি করা যায়।
১৮. Game-related Merchandise
আপনি যদি একটি জনপ্রিয় গেমের সাথে সম্পর্কিত একটি চ্যানেল বা ব্র্যান্ড তৈরি করেন, তবে গেমের থিমের উপর ভিত্তি করে মেরচ্যান্ডাইজ (টি-শার্ট, পোস্টার, স্টিকার ইত্যাদি) তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন।
১৯. Bug Bounty Programs
অনেক গেম কোম্পানি তাদের গেমে বাগ খুঁজে বের করার জন্য বাগ বাউন্টি প্রোগ্রাম চালায়। আপনি এই প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে গেমের সিকিউরিটি বা অন্যান্য সমস্যা শনাক্ত করে পুরস্কৃত হতে পারেন।
২০. Create and Sell Game Guides
অনেক গেমার পছন্দ করেন গেমের জন্য গাইড বা টিপস সংগ্রহ করতে। আপনি যদি কোন গেমে বিশেষজ্ঞ হন, তবে তার জন্য গাইড তৈরি করে সেটি বিক্রি করতে পারেন। এর জন্য আপনি ই-বুক বা ভিডিও গাইড তৈরি করতে পারেন।
২১. Virtual Real Estate Investment in Metaverse
Metaverse গেমগুলোতে ভার্চুয়াল জমি ক্রয় এবং বিক্রি করে লাভ করা যায়। কিছু প্ল্যাটফর্ম, যেমনঃ Decentraland এবং Somnium Space, ভার্চুয়াল জমি বিক্রির জন্য একটি বিশাল বাজার তৈরি করেছে, যা দিয়ে আপনি আয় করতে পারেন।
২২. Game-themed NFTs
আপনি গেমিং সম্পর্কিত বিভিন্ন জিনিস যেমনঃ চরিত্র, ল্যান্ড, বা স্কিন NFT (Non-Fungible Token) আকারে তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন। গেমের মধ্যে সংগ্রহযোগ্য আইটেম বা আর্টওয়ার্কের মাধ্যমে এনএফটি মার্কেটে আয় করা সম্ভব।
২৩. Stream or Record Rare In-game Events
কিছু গেমে বিশেষ বা রেয়ার ইন-গেম ইভেন্ট থাকে যা খুব কম মানুষ পায়। এই ধরনের ইভেন্টের ভিডিও স্ট্রিম বা রেকর্ড করে আপনি একাধিক উপায়ে (যেমনঃ স্পনসরশিপ, ডোনেশন, বিজ্ঞাপন) আয় করতে পারেন।
২৪. Content Creation for Game Developers
গেম ডেভেলপারদের জন্য কন্টেন্ট তৈরি করা যেমনঃ গেমের জন্য ওয়েবসাইট বা মার্কেটিং সামগ্রী তৈরি করা, তাদের সঠিক লক্ষ্যমাত্রার কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করতে পারে। এর জন্য আপনাকে একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কাজ করতে হবে।
২৫. Game Translation
কিছু গেমের জন্য ভাষার অনুবাদ করতে হয়, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে। আপনি গেমের ভাষার অনুবাদ করে উপার্জন করতে পারেন। অনেক গেম কোম্পানি ফ্রিল্যান্স ট্রান্সলেটরদের জন্য কাজ পোষ্ট করে।
২৬. Selling Digital Art for Games
যদি আপনি ডিজাইন বা গ্রাফিক্সের দক্ষ হন, আপনি গেমের জন্য ডিজিটাল আর্ট তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপঃ গেমের স্কিন, লোগো, বা চরিত্রের ডিজাইন তৈরি করা।
২৭. Gifting Rare Items
কিছু গেমে এমন আইটেম থাকে যা খুবই দুর্লভ এবং উচ্চ মূল্যমানের। আপনি এই ধরনের আইটেম গেমে অর্জন করে সেগুলো অন্য গেমারদের কাছে বিক্রি করতে পারেন।
২৮. Writing Game Reviews and Articles
গেম সম্পর্কিত ব্লগ বা ওয়েবসাইটে রিভিউ এবং প্রিভিউ লিখে আয় করা যেতে পারে। বিশেষ করে গেমিং সম্পর্কিত ওয়েবসাইটে বা ইউটিউব চ্যানেলে রিভিউ ভিডিও আপলোড করলে আপনি স্পনসরশিপ এবং অ্যাফিলিয়েট লিংক থেকে আয় করতে পারেন।
২৯. Freelancing as a Game Analyst
গেমের বাজার এবং গেমপ্লে বিশ্লেষণ করে গেম ডেভেলপার বা গেমিং কোম্পানির জন্য রিপোর্ট তৈরি করা। এটি এমন কাজ, যা গেম ডেভেলপমেন্টে আগ্রহী ব্যক্তির জন্য উপযুক্ত হতে পারে।
৩০. Paid Surveys in Gaming
কিছু গেম কোম্পানি গেমের উন্নতি বা ব্যবহারকারীর প্রতিক্রিয়া জানার জন্য জরিপ চালায়। এই জরিপগুলোতে অংশগ্রহণ করেও আপনি কিছু পুরস্কার বা অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ বসে না থেকে ত্রই apps দিয়ে 300 টাকা ইনকাম করুন .কাজ করা খুব সোজা
৩১. Game-related Affiliate Programs
গেম সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্যাজেট, কনসোল, ইন্সট্রুমেন্ট, সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন পণ্যের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা যায়। আপনি যদি গেমিং বিষয়ক কিছু ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল চালান, তবে অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কের মাধ্যমে কমিশন আয় করতে পারবেন।
৩২. Creating and Selling Game Mods
আপনি যদি গেমের মড তৈরি করতে পারেন, যেমনঃ নতুন চরিত্র, মিশন, বা স্টোরি লাইন, তবে আপনি তা গেম কমিউনিটি বা মড মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করতে পারেন।
৩৩. Trading and Flipping Virtual Goods
আপনি গেমে ভার্চুয়াল গুডস বা আইটেম কিনে বিক্রি করে উপার্জন করতে পারেন। যেমনঃ একটি আইটেম কম দামে কিনে, পরবর্তীতে মূল্য বৃদ্ধির পরে এটি বিক্রি করা।
৩৪. In-game Sponsorships
যদি আপনার কোনো গেম চ্যানেল বা স্ট্রিমিং চ্যানেল থাকে, তবে আপনি বিভিন্ন গেম কোম্পানি বা অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারদের কাছ থেকে স্পনসরশিপ পেতে পারেন। অনেক গেম কোম্পানি তাদের গেমের প্রচারের জন্য প্লেয়ারদের স্পনসর করে থাকে।
৩৫. Virtual Farming in Games
কিছু গেমে ভার্চুয়াল ফার্মিং বা রিসোর্স কুড়ানো যায়, যেমনঃ FarmVille বা Stardew Valley এর মতো গেমগুলোতে। আপনি এই ধরনের গেমে ফসল বা আইটেম উৎপাদন করে অন্য গেমারদের কাছে বিক্রি করতে পারেন।
৩৬. Sell Game Codes
কিছু গেমে আপনি বিশেষ কোড বা ডাউনলোড লিঙ্ক পেয়ে থাকেন যা আপনি পরবর্তীতে বিক্রি করতে পারেন। অনেক সময় গেমিং প্ল্যাটফর্ম যেমনঃ Steam বা Epic Games Store এর গেম কোড বিক্রি করা সম্ভব।
৩৭. Paid Game Testing for Bugs and Glitches
কিছু গেম কোম্পানি তাদের গেমে বাগ এবং গ্লিচ চিহ্নিত করতে পেশাদার গেম টেস্টার নিয়োগ করে। আপনি এই ধরনের কাজের জন্য আবেদন করে উপার্জন করতে পারেন।
৩৮. Create Fan Art and Sell It
আপনি যদি গেমের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করেন, তবে গেমের চরিত্র, লোগো বা সিম্বল ডিজাইন করে তা বিক্রি করতে পারেন। গেমের ফ্যানবেজ হয়ে থাকে, যারা তাদের প্রিয় গেমের আর্টওয়ার্ক কিনতে আগ্রহী থাকে।
৩৯. Game Coaching Services
আপনার যদি কোন গেমের উপর গভীর দক্ষতা থাকে, তবে আপনি গেম কোচ হিসেবে কাজ করতে পারেন এবং অন্যান্য গেমারদের কাছে গেম শেখানোর জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করতে পারেন। আপনি ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মে গেম কোচিং সেবা অফার করতে পারেন।
৪০. Game Streaming Platforms’ Donation System
কিছু গেম স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম যেমনঃ Twitch বা YouTube তাদের স্ট্রিমারদের জন্য ডোনেশন সিস্টেম চালু করে। আপনার দর্শকরা আপনাকে সরাসরি অর্থ দিতে পারেন যদি তারা আপনার গেমিং স্ট্রিম পছন্দ করে।
৪১. Loot Box Opening for Rare Items
কিছু গেমে লুট বক্স থাকে, যেখানে আপনি নতুন আইটেম বা স্কিন পেতে পারেন। যদি আপনি সঠিক আইটেম পেয়ে যান, তা বিক্রি করে উপার্জন করা সম্ভব।
৪২. Join Game Beta and Earn Points
কিছু গেম প্ল্যাটফর্ম (যেমনঃ EA Sports, Blizzard) তাদের বেটা ভার্সনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য পয়েন্ট বা পুরস্কার প্রদান করে, যেগুলো পরবর্তীতে গেমে ব্যবহৃত হতে পারে বা রিয়েল মানিতে রূপান্তরিত করা যেতে পারে।
৪৩. Offer Your Voice for Game Characters
যদি আপনি ভয়েস অ্যাক্টিংয়ের প্রতি আগ্রহী হন, তবে গেম কোম্পানিগুলো তাদের চরিত্রের জন্য ভয়েস অ্যাক্টর খুঁজে থাকে। আপনি ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মে ভয়েস অ্যাক্টিংয়ের কাজ করে উপার্জন করতে পারেন।
৪৪. Sell In-game Achievements
কিছু গেমের মধ্যে অনেক সময় কঠিন কীর্তি অর্জন করতে হয় (যেমনঃ লেভেল পাস করা বা বিশেষ আইটেম পাওয়া)। আপনি যদি এই ধরনের অর্জন করতে পারেন, তবে আপনি তা অন্যদের কাছে বিক্রি করতে পারেন বা কোচিং দিয়ে সাহায্য করতে পারেন।
৪৫. Sell Strategies or Cheats for Games
গেমে বিভিন্ন স্ট্রাটেজি বা বিশেষ কৌশল থাকে যা খেলোয়াড়দের উপকারে আসে। আপনি যদি গেমের বিশেষ কৌশল জানেন, তবে তা বিক্রি করতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ বিশ্বস্ত অনলাইন ইনকাম সাইট
৪৬. Join Online Gaming Communities and Participate in Events
অনেক গেমিং কমিউনিটি বিভিন্ন ইভেন্ট, টুর্নামেন্ট, বা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে অংশগ্রহণ করে পুরস্কার বা টাকা জেতার সুযোগ রয়েছে।
৪৭. Offer Customization Services for Games
আপনি গেমের চরিত্র, স্কিন বা অন্যান্য কাস্টমাইজেশন তৈরি করে গেমারদের জন্য সেবা দিতে পারেন। উদাহরণস্বরূপঃ গেমের স্কিন, চরিত্র ডিজাইন বা গেম প্লে কাস্টমাইজেশন বিক্রি করা।
৪৮. Sell Your Game Collection
আপনি যদি অনেক গেমের সংগ্রাহক হন, তবে পুরানো বা রেয়ার গেমগুলো বিক্রি করতে পারেন। অনেক গেমের কলেক্টর বা গেমারের জন্য পুরানো বা সীমিত সংস্করণের গেমের মূল্য বেশি হতে পারে।
৪৯. Run a Gaming YouTube Channel
আপনি যদি গেমের ভিডিও তৈরি করেন (যেমনঃ টিউটোরিয়াল, রিভিউ, গেমপ্লে ভিডিও), তবে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে এডসেন্স, স্পনসরশিপ, বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।
৫০. Earn by Sharing Game Mods and Assets
আপনি যদি গেমের মড বা অন্যান্য কাস্টম অ্যাসেট তৈরি করতে পারেন (যেমনঃ গেম চরিত্র, স্কিন, ম্যাপ), তবে আপনি এগুলি গেম কমিউনিটিতে বা মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করতে পারেন।
৫১. Create and Sell Game-Themed NFTs
গেম সম্পর্কিত এনএফটি তৈরি করে বিক্রি করার সুযোগ রয়েছে। যেমনঃ গেমের চরিত্র, আইটেম, বা ল্যান্ড এনএফটি হিসেবে তৈরি করে বিক্রি করা যায়। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এসব এনএফটি বিক্রি করা সম্ভব (যেমনঃ OpenSea, Rarible)।
৫২. Compete in Speedrun Events
কিছু গেমের স্পিডরান (অতিপর্যায়ে দ্রুত গেম খেলা) প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পুরস্কার বা অর্থ জেতা যায়। গেমের নতুন টেকনিক বা কৌশল শেখার মাধ্যমে আপনি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে উপার্জন করতে পারেন।
৫৩. Create Paid Game Walkthroughs
আপনি যদি গেমের একটি সহজ বা কষ্টসাধ্য অংশ সম্পূর্ণ করতে পারেন, তবে আপনি গেমের ওয়াকথ্রু (যেমন গাইড ভিডিও বা ব্লগ) তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন।
৫৪. Offer Game Level Design Services
আপনি গেমের নতুন লেভেল ডিজাইন করে গেম ডেভেলপারদের কাছে বিক্রি করতে পারেন। গেম ডেভেলপাররা সাধারণত ফ্রিল্যান্স লেভেল ডিজাইনারদের জন্য কাজ পোষ্ট করে থাকে।
৫৫. Participate in Game Content Creation for Companies
গেম কোম্পানিগুলি তাদের গেমের জন্য নতুন কনটেন্ট (যেমনঃ লোগো, ব্যানার, বা প্রোমোশনাল ভিডিও) তৈরি করার জন্য কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিয়োগ করতে পারে। আপনি যদি ডিজাইন বা কন্টেন্ট ক্রিয়েশন দক্ষ হন, তবে আপনি এই ধরনের কাজের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।
৫৬. Create a Gaming Blog and Monetize It
আপনি গেমিং সম্পর্কিত ব্লগ তৈরি করে, সেখানে গেম রিভিউ, টিপস, ট্রিকস, নিউজ পোস্ট করতে পারেন এবং বিজ্ঞাপন বা অ্যাফিলিয়েট লিংক দিয়ে আয় করতে পারেন।
৫৭. Play Mobile Games with Reward Systems
কিছু মোবাইল গেম যেমনঃ Mistplay, Lucktastic বা Coin Pop আপনাকে গেম খেলে টাকা বা উপহার কার্ড উপার্জন করার সুযোগ দেয়। এগুলোতে অংশগ্রহণ করে আপনি রিয়েল মানি বা গিফট কার্ড পেতে পারেন।
৪৮. In-game Event Management
কিছু গেমে গেমাররা তাদের নিজেদের ইভেন্ট বা প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে পারেন। আপনি এই ইভেন্টগুলির জন্য আয় করতে পারেন, যেমনঃ গেমের মধ্যে টুর্নামেন্ট বা চ্যালেঞ্জ আয়োজন করা।
৫৯. Sell Your PlayStation, Xbox or Steam Account
যদি আপনি আপনার গেম অ্যাকাউন্টে অনেক সময় এবং অর্থ বিনিয়োগ করে থাকেন এবং আর খেলতে চান না, তবে আপনি সেই অ্যাকাউন্টটি বিক্রি করতে পারেন।
যদিও এটি কিছু প্ল্যাটফর্মে নিয়মবিরুদ্ধ হতে পারে, তবে অনেক গেমার বাজারে এসব অ্যাকাউন্ট কেনাবেচা করেন।
আরও পড়ুনঃ অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়
৬০. Game Modding Communities
আপনি যদি মড তৈরি করতে পারেন, তবে গেমের মডিং কমিউনিটিতে অংশ নিয়ে নতুন মড তৈরি করতে পারেন। কিছু গেম কোম্পানি মড নির্মাতাদের পুরস্কৃত করে থাকে, এবং আপনি সেই পুরস্কারের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।



