ফেনী জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত একটি সক্রিয় ও জনবহুল জেলা। জেলা হিসেবে ফেনী তার ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান, বাণিজ্য, পরিবহন, পর্যটন, শিল্প, শিক্ষা ও কৃষিকাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
ফেনীর উত্তরে কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলা, দক্ষিণে চট্টগ্রাম জেলা, পূর্বে ভারত ও খাগড়াছড়ি, এবং পশ্চিমে নোয়াখালী জেলা অবস্থিত। ফেনী নদী, মুহুরী নদী ও কিছু পাহাড়ি ছড়া এই জেলার ভূপ্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বর্তমানে প্রশাসনিকভাবে ফেনী জেলা মোট ৬টি উপজেলা নিয়ে গঠিতঃ
- ফুলগাজী উপজেলা
- ফেনী সদর উপজেলা
- সোনাগাজী উপজেলা
- ছাগলনাইয়া উপজেলা
- দাগনভূঞা উপজেলা
- পরশুরাম উপজেলা
এই ৬টি উপজেলা মিলিয়ে পুরো ফেনী জেলাকে ৩টি সংসদীয় আসনে বিভক্ত করা হয়েছে, যেগুলো হলোঃ
- পরশুরাম উপজেলা, ফুলগাজী উপজেলা এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা নিয়ে ফেনী-১ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- ফেনী সদর উপজেলা নিয়ে ফেনী-২ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- সোনাগাজী উপজেলা এবং দাগনভূঞা উপজেলা নিয়ে ফেনী-৩ আসনটি গঠিত হয়েছে।
প্রতিটি আসন থেকে একজন করে জনপ্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন। জেলার এই ৩টি আসন স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা, কৃষি ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুনঃ শেরপুর জেলার সংসদীয় আসন কয়টি
ফেনী জেলার সংসদীয় আসন কয়টি?
নিচে ফেনী জেলার সংসদীয় ৩টি আসন তুলে ধরা হলোঃ
ফেনী-১ঃ পরশুরাম উপজেলা, ফুলগাজী উপজেলা এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বিঃদ্রঃ ফেনী-১ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা ফেনী জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ২৬৫নং আসন।
ফেনী-২ঃ ফেনী সদর উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বিঃদ্রঃ ফেনী-২ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা ফেনী জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ২৬৬নং আসন।
ফেনী-৩ঃ সোনাগাজী উপজেলা এবং দাগনভূঞা উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বিঃদ্রঃ ফেনী-৩ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা ফেনী জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ২৬৭নং আসন।



