শেরপুর জেলা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্গত একটি ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী জেলা। জেলার উত্তর-পশ্চিমে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, দক্ষিণে জামালপুর,
পূর্বে ময়মনসিংহ এবং পশ্চিমে টাঙ্গাইল জেলা অবস্থিত। ব্রহ্মপুত্র, মগরা, মালিজানী, চেল্লাখালীসহ বহু নদীনালায় বেষ্টিত এই অঞ্চল কৃষি, বনজ সম্পদ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ।
বর্তমানে প্রশাসনিকভাবে শেরপুর জেলা ৫টি উপজেলা নিয়ে গঠিতঃ
- শেরপুর সদর উপজেলা
- নকলা উপজেলা
- ঝিনাইগাতী উপজেলা
- শ্রীবদী উপজেলা
- নালিতাবাড়ী উপজেলা
এই ৫টি উপজেলা মিলিয়ে পুরো শেরপুর জেলাকে ৩টি সংসদীয় আসনে বিভক্ত করা হয়েছে, যেগুলো হলোঃ
- শেরপুর সদর উপজেলা নিয়ে শেরপুর-১ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- নকলা উপজেলা এবং নালিতাবাড়ী উপজেলা নিয়ে শেরপুর-২ আসনটি গঠিত হয়েছে।
- শ্রীবর্দি উপজেলা এবং ঝিনাইগাতি উপজেলা নিয়ে শেরপুর-৩ আসনটি গঠিত হয়েছে।
প্রতিটি আসন থেকে একজন করে জনপ্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন। জেলার এই ৩টি আসন স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা, কৃষি ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুনঃ ইসমাইল নামের অর্থ কি – ইসমাইল নামের ছেলেরা কেমন হয়
শেরপুর জেলার সংসদীয় আসন কয়টি?
নিচে শেরপুর জেলার সংসদীয় ৩টি আসন তুলে ধরা হলোঃ
শেরপুর-১ঃ শেরপুর সদর উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বি:দ্রঃ শেরপুর-১ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা শেরপুর জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৪৩নং আসন।
শেরপুর-২ঃ নকলা উপজেলা এবং নালিতাবাড়ী উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বি:দ্রঃ শেরপুর-২ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা শেরপুর জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৪৪নং আসন।
শেরপুর-৩ঃ শ্রীবর্দি উপজেলা এবং ঝিনাইগাতি উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত হয়েছে।
বি:দ্রঃ শেরপুর-৩ হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে একটি। ইহা শেরপুর জেলার মধ্যে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৪৫নং আসন।



