শেরপুর উপজেলা, বগুড়া জেলার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা যা কৃষি, শিক্ষা এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত। এটি বগুড়া জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে অবস্থিত এবং পদ্মা-যমুনা অববাহিকার উর্বর সমভূমিতে গড়ে উঠেছে।
শেরপুরের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিনির্ভর, বিশেষ করে ধান, আলু ও সবজি চাষ এখানে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। এই উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদসমূহের মাধ্যমে পরিচালিত হয়,
যেগুলো স্থানীয় পর্যায়ে সেবাদান ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। শেরপুর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে রয়েছে নিজস্ব গ্রামীণ অবকাঠামো, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় কেন্দ্র এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা।
ইউনিয়ন পরিষদসমূহ এলাকার জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে শেরপুর উপজেলায় মোট ১০টি ইউনিয়ন রয়েছে।
এই ইউনিয়নগুলো শেরপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে আসছে। প্রতিটি ইউনিয়নেই রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, ইতিহাস এবং সংস্কৃতি। এখানকার জনসংখ্যা, গ্রামীণ জীবনধারা এবং কৃষি প্রধান পেশাভিত্তিক জীবনযাপন
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ সমাজের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। শেরপুর উপজেলার এই ইউনিয়নসমূহ স্থানীয় জনগণের প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু এবং আধুনিক উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে ক্রমাগত অগ্রসর হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ কুড়িগ্রাম জেলার ইতিহাস | কুড়িগ্রাম জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত
বগুড়া শেরপুর উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ?
নিচে বগুড়া শেরপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন তুলে ধরা হলোঃ
- ১নং কুসুম্বী ইউনিয়ন পরিষদ
- ২নং গাড়ীদহ ইউনিয়ন পরিষদ
- ৩নং খামারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ
- ৪নং খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ
- ৫নং মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ
- ৬নং বিশালপুর ইউনিয়ন পরিষদ
- ৭নং ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদ
- ৮নং সুঘাট ইউনিয়ন পরিষদ
- ৯নং সীমাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ
- ১০ নং শাহ-বন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদ



